x

প্রকাশিত | ৯৪ তম মিছিল

কান টানলেই যেমন মাথা আসে, তেমন ভাষার প্রসঙ্গ এলেই মানুষের মুখের ভাষার দৈনন্দিন ব্যবহারের কথাও মনে পড়ে যায়, বিশেষত আজকের দিনে। ভাষা দিবস মানেই শুধু মাতৃভাষা নিয়ে আবেগবিহ্বল হয়ে থাকার দিন বুঝি আজ আর নেই!

কেননা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যাঁরা মাথায় বসে আছেন, বিশেষত যাঁরা রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতায় ক্ষমতাভােগী এবং লােভী, তাঁদের মুখের ভাষা এবং তার প্রয়ােগ আজ ঠিক কতটা শিক্ষণীয় এবং গ্রহণীয় সেটা শুধু ভাবার নয়, রীতিমতো শঙ্কার এবং সঙ্কটের।

সবই কি তবে মহৎ ভাবনা, অনুপ্রেরণার জোয়ার? নাকি রাজনৈতিক কারবারিরা 'সুভাষিত' শ্রবণাতীত বয়ানে নিজেদের অক্ষমতার মদমত্ত প্রকাশ করছেন? সাধারণ ছাপােষা মানুষ বিস্ফারিত চিত্তে এই ভাষাসন্ত্রাস,এই ভাষাধর্ষণ দেখতে শুনতে ক্লান্ত। এর থেকে উত্তরণের উপায় এখনও অবধি কোনাে ভাষা দিবস দেখাতে পারেনি। এবারের ভাষা দিবসের কাছেও কি সেই উপায় আছে? নাকি এই খেলা হবে, চলবে ... মেধাহীন গাধাদের দৌলতে?

চলুন মিছিলে 🔴

সোমবার, আগস্ট ১৫, ২০১৬

মোহাম্মদ আন্ওয়ারুল কবীর

sobdermichil | আগস্ট ১৫, ২০১৬ | | মিছিলে স্বাগত
kabir



১.১।

খ্যাতিবান হউন কিংবা না হউন প্রতিটি প্রবীণ কবিরই কমবেশী ভক্তকূল জুটে যায়। খ্যাতিবান না হলেও কবি সরফরাজ দেওয়ানেরও কিছু ভক্ত রয়েছে। কথায় বলে পীর উড়েন না, মুরীদেরাই ওড়ায়। ভক্তদের উছিলায় সরফরাজ আজ ফেইসবুক সেলিব্রিটি কবি। তারপরেও তার মন সর্বক্ষণ খচ খচ করে। শ্রেষ্ঠ কবিতা সহ সাত/আটটা বই বের হওয়ার পরও যখন দেশের মানুষের কাছে প্রত্যাশিত কবি স্বীকৃতি মিলে না তখন তিনি আর হিসেব মেলাতে পারেন না।


২।

কবি সরফরাজ দেওয়ান ভক্তসমেত চলাফেরা করতে ভালোবাসেন। গুটিকয়েক ভক্তসহ তিনি এসেছেন কবি আসলাম আহমেদ খানের কবিতা আড্ডায়। আড্ডায় আছেন জনপ্রিয় দু/তিন জন কবিসহ কয়েকজন উঠতি তরুণ কবি। কথা প্রসঙ্গে প্রখ্যাত কবি দেবাশীষ কুমার বলেন, 'কোন কবির বয়স চল্লিশ পেরিয়ে গেলে নতুন করে তার কিছু দেয়ার থাকে না। নবীনেরাই পারে নতুন ভাবনায়, নতুন কৌশলে কবিতায় চমক সৃষ্ট করতে - পারে জ্বলে উঠতে।' কথাটা শুনেই সরফরাজ দেওয়ান চটে ওঠেন, 'কে বলেছে আপনাকে? রবীন্দ্রনাথ তো বুড়ো বয়সেও বাঁকে বাঁকে চমক সৃষ্টি করে গেছেন .... বয়সের সাথে কাব্যচর্চার কোন সম্পর্ক নেই।' সরফরাজ দেওয়ানকে লক্ষ করে আসরের সর্বকনিষ্ঠ তরুণ কবি এবার বলে বসে, 'আঙ্কেল, কবি দেবাশীষদা তো ঠিকই বলেছেন, বয়েস হলে ..' ছেলেটি কথা শেষ করতে পারে না, তেলেবেগুনে জ্বলে ওঠেন তিনি, 'আঙ্কেল? কে আঙ্কেল, কার আঙ্কেল? ...'

একাডেমী পুরস্কারপ্রাপ্ত উপস্থিত কবি সলিল চৌধুরীকে সরফরাজ দেওয়ানের চকচকে টাকের দিকে তাকিয়ে মিটিমিটি করে হাসতে দেখা যায়।

[ বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ - গল্পটির চরিত্রগুলো সম্পূর্ণ কাল্পনিক। বাস্তবজীবনে কোন কবি যদি কোন চরিত্রের সাথে তার মিল খুঁজে পান তবে তা হবে নেহায়েৎ কাকতালীয় বা দূর্ঘটনা]




Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

■ আপডেট পেতে,পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.