x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

সোমবার, জুলাই ২৫, ২০১৬

শুভ্রদীপ চৌধুরী

sobdermichil | জুলাই ২৫, ২০১৬ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
suvro


প্রতিদিন সকালে হোটেলের ফেলে দেয়া ছাই থেকে, পোড়া কাঠ কয়লার টুকরো এনে বন্ধ গোডাউনটার বারান্দায় ছবি আঁকে এক পাগল।আঁকে, ট্রেনের ধোঁয়ার ভেতরে আটকে পড়া সূর্য আর গাছহীন টবের উপরে একঝাঁক প্রজাপতি। প্রতি দিন একই ছবি!

দুপুর হতেই সেই বারান্দায় এসে পড়ে হরেকমাল দশ টাকার দোকানি। সে ট্রেনের ধোঁয়ার উপরে, সূর্যের উপরে তার দোকান সাজায়। বিকেল ফুরিয়ে এলে সে তার দোকান গুটিয়ে চলে যায়।

এর পর সেখানে আসে চাকাওয়ালা চপের দোকান গাড়ি, তার গায়ে লেখা চপ,চাউমিন, ঘুগনি। ট্রেনের ধোঁয়ার উপরে, প্রজাপতির উপরে এবার বসে জলের বালতি, এঁটো প্লেট- চামুচের স্তুপ। চপের দোকানি যাবার আগে বারান্দাটা ধুয়ে মুছে সাফ করে দেয় প্রতিদিন রাতে।

এসব পাগলটা দূর থেকে দ্যাখে।খুশি হয়। যাক, আগামীকাল তাকে নিজ হাতে নিজের আঁকা মুছতে হবে না।

আবার সকাল হয়।





Comments
1 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.