x

প্রকাশিত

​মহাকাল আর করোনাকাল পালতোলা নৌকায় চলেছে এনডেমিক থেকে এপিডেমিক হয়ে প্যানডেমিক বন্দরে। ওদিকে একাডেমিক জেটিতে অপেক্ষমান হাজার পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ।​ ​দীর্ঘ সাতমাসের এ যাপন চিত্র মা দুর্গার চালচিত্রে স্থান পাবে কিনা জানি না ! তবে ভুক্তভোগী মাত্রই জানে-

​'চ'য়ে - চালা উড়ে গেছে আমফানে / চ'য়ে - কতদিন হাঁড়ি চড়েনি উনুনে / চ'য়ে - লক্ষ্মী হলো চঞ্চলা / চ'য়ে - ধর্ষিতা চাঁদমনির দেহ,রাতারাতি পুড়িয়ে ফেলা।

​হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা মানুষটি লালমার্কার দিয়ে গোল গোল দাগ দেয় ক্যালেন্ডারের পাতায়, চোদ্দদিন যেন চোদ্দ বছর। হুটার বাজিয়ে শুনশান রাস্তায় ছুটে যায় পুলিশেরগাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স আর শববাহী অমর্ত্য রথ...। গঙ্গা দিয়ে বয়ে গেছে অনেকটা জল, 'পতিত পাবনী গঙ্গে' হয়েছেন অচ্ছুৎ!

এ কোন সময়ের মধ্যে দিয়ে চলেছি আমরা?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

সমীরণ চক্রবর্তী

সোমবার, জুলাই ২৫, ২০১৬

জয়ন্ত সেন

sobdermichil | জুলাই ২৫, ২০১৬ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
sen




এক।

এই পৃথিবীতে সকলের চেনা জানা জগতে যা কিছু রয়েছে, সমাজ, জাতি, বিজ্ঞান, পরিবার, এসবের মধ্যেও আরো একটা জগত আছে।যা সকলের ধরাছোঁয়ার বাইরে।

আমাদের জগত। মানুষ না, না দেবতা, না আত্মা। আমাদের শরীর আছে, সবারই একইরকম অবয়ব। ফ্যাকাসে রং, চোখের নীচে গাড় কালো ছোপ, মিশমিশে কালো ঠোঁট বোঝা যায়, কালচে শিরা, গলার কন্ঠা ঠিকরে বেরিয়ে এসেছে। শুকনো শরীর। অনেকটা জলে পরা প্রতিবিম্ব-এর মত। আবছা আবছা। হৃত্পিণ্ড নেই, কোনো আবেগ নেই, অনুভব নেই, শুধু খিদে আছে। সে খিদে সাধারন নয়। এ খিদে অনুভবের খিদে, অভিজ্ঞতার খিদে। মানুষেরা অনেক সুন্দর সুন্দর সময় কাটায়। ভালবাসার, স্বপ্ন দেখার, সেগুলো সার্থক হওয়ার। এসব খুশির আনন্দের অনুভব আবেগ গুলো পিশাচেরা গিলে গিলে খায়। মানুষের জীবনের সেইসব সুখের অনুভব অভিজ্ঞতায় পিশাচের জিয়নকাঠি।

বাবলুর ধুম দিয়ে জ্বর এসেছে। আজ হটাত সন্ধ্যের পর থেকেই ভুল-ভাল বকতে বকতে রিয়াকে জড়িয়ে ধরে। রিয়া বাবলুর গায়ের উত্তাপ দেখে চম্কে ওঠে।

কিছুক্ষন আগেই ডাক্তার দেখে গেছে, ওষুধ দিয়েছে, বাবলু তার মা-কে জড়িয়ে ঘুমে মত্ত। রিয়া নিশ্চই বুঝতে পেরেছে বাবলুর জ্বর আসার কারণ। ও-তো মা, বুঝবে নিশ্চই। নিশ্চই এমন কিছু হয়েছে যে বাবলু ভয় পেয়েছে। খুব সাধারন কিছুও হতে পারে। ছয় বছর বয়স, ছোটো ছেলে, তার ওপর নতুন জায়গা। সাধারন কোনো ঘটনাতেও ভয় পেতেই পারে। গত দুদিন হয়েছে শহরের মাঝামাঝি এই বাড়িতে রিয়া তার হাসব্যান্ড আর ছেলে বাবলু এসেছে। পুরানো বাড়ি কিন্তু অনেকটা বড়। বাড়ির সামনের দিকটা একটা দালান আর পেছন দিকে পাতলা পাঁচিল দিয়ে ঘেরা একটা বাগানও আছে। অনেকদিন দেখাশোনা হয়নি বলে বাগানটা ছন্নছাড়া। পাঁচিলের গা দিয়ে একটা অশত্ব গাছ বেশ মাথাচারা দিয়েছে। অনেক বছর আগে নাকি এই বাড়িতেও এক পরিবার থাকতো। সেকথা অবস্য কারোর মনে নেই। মনে আছে শুধু সেই ছেলেটার কথা। সারাদিন কোনের ঘরে কি সব নেশা করতো, আর কিসব লেখালেখি করতো ছেঁড়া-ফাটা কাগজে, ঘরের দেওয়ালে। অনেকে বলে মাঝরাতে রাজকন্যা-কে নিয়ে গান শোনা যেত। তারপর কি হ্ল কেউ সঠিক বলতে পারে না। কেউ বলে পাগল নাকি রাত বিরেতেই বাড়ি ছেড়ে চলে গেছে। কেউ বলে প্রেত-আত্মা নাকি টেনে নিয়ে গেছে। কেউ বলে ওই হাড় জিরজিরে শরীরটা ওই বাগানেই কবর দেওয়া আছে| কেউ বলে সারা ঘরের দেওয়ালে রাজকন্যার নাম লেখা থাকতো। মাটিতে পরে থাকতো কিসব লেখালেখি। বহুবছর বাদ সে পরিবারেরই একজন বিদেশ থেকে এসে বাড়িটা বিক্রি করলো রিয়াদের।

দুম করে দমকা হাওয়ায় জানলার পাল্লা দুটো খুলে গেলো। একটু চোখ লেগে গেছিলো রিয়ার। দড়াম শব্দে আচ্ছন্ন ভাবটা কেটে গেলো। উঠে জানলা বন্ধ করতেই যাচ্ছিলো, বুঝতে পারে বাবলু খুব শক্ত করে রিয়ার আঁচল চেপে ধরে আছে। বাবলুর পাশেই ইন্দ্রনীল শুয়ে , রিয়া ভাবলো ইন্দ্র-কে ডাকে, তার মধ্যেই আশ্চর্য রকমভাবে জানলার দুটো পাল্লা বন্ধ হয়ে গেলো।

দুই।

আমাদের পিশাচদের কোনো জাত হয়না, ধর্ম হয়না, তবে ক্ষমতার লড়াই আছে। বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন ছোটো বড় গোষ্ঠী আছে। আমিও কোনো একসময় কোনো গোষ্ঠির সদস্য ছিলাম। সবচেয়ে শক্তিশালী গোষ্ঠী। দিনে দিনে সে গোষ্ঠী কমজোর আর ছোটো হতে হতে এখন পাঁচিলের পাশের অশত্ব গাছের মধ্যে ঠাঁই নিয়েছে।

আমার পেছনে কয়েকটা কালো অবয়ব দাঁড়িয়ে। পিশাচের কোনো ভাষা হয়না। মনে মনেই কথা হয়ে যায়। মানবসমাজে টেলিপ্যাথির মত। সেটাও অনেকটা ফ্যাসফ্যাসে। খিন, গাছের পাতার ফাঁক দিয়ে সো সো করে হওয়া কাটার মত। পিশাচরা অন্য পিশাচ আর মানুষের মনের কথা বুঝতে পারে।

তারা যেন আমায় বলছে " ভেতরে মহামুনিম ডাকছে।"

প্রত্যেকটা গোষ্ঠীর একজন হর্তাকর্তা হয়। যে সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী, লড়াইতে পারদর্শী ও অভিজ্ঞ হয়। সেই শাসন করে, তার আদেশ অনুসারে গোষ্ঠীর দেখাশোনা হয়। শাসক গোষ্ঠীর ভেতরের ও বাইরের ছোটো ও বড় সবধরনের সির্ধান্ত নেয় আর গোষ্ঠীকে সুরক্ষিত রাখার দায়ভারও।

আমার অপলক নজর তখন ঘরের ভেতরের তিনটে প্রানের ওপর।আমি তাদের দিকে না তাকিয়েই জবাব দিলাম " বলে দাও গিয়ে, ঠিক যখন পিশাচের জগতে রাত্রি ঘনিয়ে আসবে, আমার সাথে তখনি কথা হবে "।

"মহামনিম কিন্তু এ কথাটা ভালোভাবে নেবে না ।

আমি কোনো উত্তর দিলাম না। তবে আমার প্রতিক্রিয়ায় তারা বুঝলো আমি একা হলেও ডরবার নই। বরং একটা ছোটো গোষ্ঠী আমি একাই ধংস করার জন্য যথেষ্ট।তারা যে এই মুহুর্তে আমায় বিন্দুমাত্র বিরক্ত করবে না, সেকথাও জানি।


তিন।

আকাশের গোল জ্বলন্ত থালাটা তখন নীল্ সাগরে ডুবতে যায় যায়। পিশাচেরা দিনের বেলা বেরোয় না। আলোর তেজে পিশাচেরা জ্বলে যায়। এমনিতে পিশাচদের সাধারন ভাবে হত্যা হয়না। আলোতে পিশাচের যতটুকু শরীর থাকে সেটাও জ্বলে যায়। ভস্মীভূত হয়ে শুন্যে মিলিয়ে যায়। এভাবেই পিশাচের পতন। তাই পিশাচরা দিনের বেলা বেরয় না। আমাদের দিনটাই রাত আর রাতটা দিন।

ডুবতে থাকা সূর্যের আলোতেও যথেষ্ঠ উষ্ণতা থাকে। কোনো পিশাচকে জ্বালাবার জন্য যথেষ্ট। বাবলু বাগানে খেলা করছিলো তখন। একাই ছিল। অশত্ব গাছটার নীচে আলো আড়াল ছিলো তখন। দুটো ফ্যাকাসে কালো হাত খুব ধীর-স্থির ভাবে বাবলুর দিকে এগিয়ে আসছিল। বাবলুকে বাগে পেলে শুষে নেবে তার জীবনের কাটানো সব সুখের মুহূর্ত গুলো। তারপর বাবলুকে ছেড়ে দেবে জীবন্ত লাশের মত। এসব কিছু হওয়ার আগেই এক ঝটকায় বাবলুকে কে যেন ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিল। মুহুর্তে হাত দুটোর প্রতিমূর্তিকে পাঁচিলের পাশে একটা ঝোঁপে আছড়ে ফেল্লো। তারপর তার ওপর ঝাপিয়ে পরে তাকে যথারীতি কাবু করে তার শরীরের কিছুটা অংস জ্বালিয়ে দিয়েছিল সূর্যাস্তের ছটায়। 

বাবলু এসব কিছুই দেখেনি। শুধু অনুভব করেছে একটা ধাক্কা। আর পাঁচিলের ওপাশের ঝোঁপের কোলাহল। বাবলু প্রচন্ড ভয় পেয়েছিল, দেরী না করে ছুটে গেছিলো মায়ের কাছে।

চার।

দুরে সোনার আলোর ছিরিক তখন নজরে আসছে। অশত্ব গাছের কোটরে ঠাই নেওয়া পিশাচ গোষ্ঠির মহামনিম আমাকে দেখে খুশিই হয়েছিল। স্বস্তি পেয়েছিল। ভেবেছিল আমি ফিরে এসেছি। অনেককাল আগে আমি এই গোষ্ঠির সদস্য ছিলাম। সেই সময় এই পিশাচ গোষ্ঠী শহরের বাকি গোষ্ঠী গুলোর থেকে সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী ছিল। সারা শহরে আমাদেরই দপদপা ছিলো।

গোষ্ঠির মহামনিম বল্লো " পুরানো দিন কতইনা ভালো ছিলো , আমরা কতো লড়াই একসাথে লড়েছি, জিতেছি " কাল।" তোমার মত লড়াইয়ের কৌশল, গতি এখনকার নব-যোদ্ধাদের কোথায় ? তুমি ফিরে এসেছো, আবার আমরা শহরের ওপর ঠিক আগের মতই হুকুমদারি করবো। বাকি পিশাচরাও কথাটা শুনে উত্সাহিত হচ্ছিল বেশ। কিন্তু আমি কোনো আগ্রহ দেখালাম না। বল্লাম " আমি সে কারণে ফিরে আসিনি। ফিরে এসেছি এই মানব পরিবারের জন্য। এরা যতদিন এখানে থাকবে আমিও এখানেই থাকবো, আর সব রকম বিপদ থেকে রক্ষা করবো।" 

মানুষ জন্মে রিয়াকে খুব ভালবাসতাম। পিশাচ হওয়ার পর আমার মধ্যে এত শক্তি এলো কোথা থেকে জানি না। পিশাচ ইতিহাসে আমাকে সর্বোত্তম পিশাচ যোদ্ধা বলা হতো। একদিন রিয়ার দিকে অন্য কোনো উড়ন্ত পিশাচকে ধেয়ে আসতে দেখেছিলাম। ছেড়ে দিলাম সব।

আমার কথা শুনে মুহুর্তে শান্ত হয়ে গেলো সব। মহামনিম হুঙ্কার দেয় "এই মানব পরিবারের জন্য তুমি পিশাচের ধর্মের অবহেলা করতে পারো না কাল। ভুলে যেও না, ওদের সুখের আবেগ-অনুভব-অভিজ্ঞতা শুষেই আমাদের প্রানের হাঁটা-চলা হয়। না হলে শরীর-তো থাকে, কিন্তু পিশাচের প্রাণটুকুও থাকে না। "

" এখানে ক-জন আছে যারা পিশাচ হওয়ার আগে ভালো জীবন যাপন করতো ??" আমিও হুঙ্কার দি।

এখানে প্রত্যেকে প্রতারিত। মানুষ থাকা কালীন কেউ সামাজিক, কেউ মানসিক, কেউ শারীরিক, কেউ জাতের নামে সবাই নির্যাতন সহ্য করেছে। গুমরে গুমরে রোজ মরে মরে পিশাচ হয়েছে। সেখানেও শুধু শরীরটাই ছিলো। আর প্রানের নামে শ্বাসটাই চলাফেরা করতো। জীয়নতো সেদিনও ছিলো না।"

আমায় থামিয়ে দিয়ে আরো জোরে হুঙ্কার দেয় মহামনিম। " সেই নির্যাতন মানুষেরাই করেছে কাল। কেউ জন্ম থেকে পিশাচ হয়না। আমাদের পিশাচ হওয়ার কারন মানুষই। এবার আমাদের প্রতিশোধের পালা। আমরা ছিনিয়ে নেব সব, যেমন আমাদের ছিনিয়ে গেছিলো। ওরাও বুঝুক "

আমি আর কিছু বলতে দিলাম না। নিমেষে মহামনিমের ওপর ঝাঁপিয়ে পরলাম। আমার মৃতকোষ গুলো, আমার দাত, নখ বেড়ে উঠলো বাকি পিশাচদের গাছের ডাল বেয়ে আমার দিকে এগিয়ে আসার আগেই। মহামনিমকে খামচে ধরে শুষে নিলাম তার শোষন করা আনন্দের অনুভবগুলো। নিমেষে নীচে লুটিয়ে পড়ল। বাকি যারা ছিলো তারা সরে যায় পাশ থেকে। আমি পেছন ফিরি। মহামনিম ভাঙা ভাঙা ফ্যাসফ্যাসে গলায় আমায় বলে চলেছে " যে মেয়েটির জন্য তুমি আমাদের ছেড়ে গেছিলে, সে কি দিলো তোমায়, কাল ? "

কি দিলো তোমার রাজকন্যে ??"


পাঁচ।

আবছা আবছা বিকেল তখন। বাবলু ভালো আছে। দৌড়াদৌড়ি করছে বাগানের এমাথা থেকে ওমাথা। জ্বর থেকে উঠে অবশ্য  বলে ছিল তার মাকে সেদিনের ঘটনা। রিয়া জড়িয়ে ধরে। " ধুর বোকা " বলে চুল ঘেঁটে দেয়। কাতুকুতু দেয়। বাবলু হাসতে হাসতে ছটপট করে, তারপর দৌড়ে পালায়।

রিয়া অশত্ব গাছটার পাশের পাঁচিলের ধারে এসে দাঁড়ায়। রং-চটা, চুন-খসা দেওয়াল। রিয়া আরো এগিয়ে আসে। মনে হ্ল যেন জানে পাঁচিলের আরেকপাশে কালো আবরণে লুকিয়ে আছি আমি। পাঁচিলের দেওয়ালে রিয়া আলতো করে হাত রাখে। চোখ দুটো বন্ধ। মনে মনে কি যেন বলছে।

“ যদি এরকম হয়,
আমি জানি তুই জানিস কিন্তু প্রকাশ হলো না ,
তুই হয়তো জানলি কোনো গল্পের অজুহাতে,
কোনো ছন্দের লুকানোতে,
তাহলে কি আর-চোখে আয়নায় তাকাবি ?
বেয়াদপ চুলের ঝুঁকে পড়ার আড়ালে ফিরে তাকাবি !!
কোনো সময় আমার কথা ভেবে মনে মনেই ঠোঁট বেকাবি !!
অনেক বছর পর স্নান সেরে আয়নায় ছোটো লাল টিপ কপালে তোলবার সময়,
হটাৎ মনে পড়লো,
একসময় তোকে এক পাগল ভালোবেসে ছিলো,
তবু তোকে বলেনি,
তখন কারণটা জানবি, যখন তোর দামি মোবাইল বেজে উঠবে,
তখন কারণটা জানবি, যখন উঁচু তলার ফ্ল্যাট বাড়ির জানলা তোকে শহর দেখাবে,
কারণটা তখন জানবি, যখন জানবি আজও সে পাগল কোনো পাঁচিলের গায়ে,
কোনো চিলেকোঠায়,
খুঁজে বেড়ায় তোকে বেকার কাগজের কোনায়।“

রিয়ার বন্ধ চোখের কোনা থেকে একফোঁটা জল গাল বেয়ে গড়িয়ে পড়লো। আমার পেছনে আরেকটা পিশাচ কখন থেকে দাঁড়িয়ে আমার জানা ছিল না। মুখ ফিরিয়ে তার দিকে তাকাতে সে আমায় বল্লো " মহামনিম ভুল ছিলো। তুমি অনেক কিছু পেয়েছো।"

বাবলু ঘরের ভেতর থেকে মা-মা ডাক দিলো। রিয়া চলে গেল।


Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.