x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

বুধবার, জুলাই ২৭, ২০১৬

জয়দীপ চক্রবর্তী

sobdermichil | জুলাই ২৭, ২০১৬ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
joydip

অন্ধকার শব্দমালা

এই বেশ আসা যাওয়া, জলের থেকেও রক্ত সস্তায় সহজ জেনে-
মৃত্যুর বিষয় হিংসা,ক্ষমতার বিস্তারে তুচ্ছ জন্মের সাক্ষাত দর্শন...
বেবাক আস্ফালনে বিপন্ন পৃথিবী। ক্রমান্বয়ে ছোট হতে হতে-
রক্তের হোলি খেলার মাঠ।কেউই নিরাপদ নয় এমনকী দর্শক!

আজ গুলশন,কাল ফ্রান্স,পরশু আফগানিস্তান চুপ গোনা মুহূর্ত
তোমার আমার ধারণার গভীরতর ক্ষত মধ্যবর্তী শোক,সমূহ থেকেও-
মৃত্যুর সওদাগরের শৈল্পিক মুহুর্মুহু রক্তনদী,গতিবেগটা জমকালো...
শব্দ থেকে শোকার্ত অক্ষরের আলোঅন্ধকার।দোষ ছিল শিশুরও!!!

ঘুম নিঝুম পালক জোছনা তবুও শব্দহীন দুঃস্বপ্ন আর আতঙ্কের-
অন্তর্গত মনপুর একাকী একাকার অন্তর্ঘাত।বিভাজন ছয়লাপে-
হিন্দু রক্ত,মুসলিম রক্ত,খ্রিস্টান রক্ত আশ্চর্য রক্ত কি নয় মানুষের?
লক্ষ,কোটি ভুল জন্ম আশ্চর্য ধার্মিক হয়েছি মানুষ না'হবার অভিশাপে....

এ জীবন,এ সময় সহ্যের'ও অধিক হিংসার সমুদ্রে ডুবুডুবু প্রাণ!!
বিপন্নতায় ক্যানেলে দৃশ্যতই দ্বিধাদ্বন্দ্ব,আশঙ্কায় আমার হাউহাউ শব্দহীন ধ্যান...




বিপন্নতার শব্দমালা

বড্ড যাচ্ছেতাই সময় সামাল সামাল কাঁচাবেলা,
সকালের গোছগাছ মায়ের নিশ্চিন্তপুর কৈশোরের ছুটি ছুটে স্কুল...
ছুটির ঘন্টায় আবার করগোনা অস্থিরতা তোর ঘরে ফেরার তিতিক্ষা!
এক ঘন্টা দুই ঘন্টা সময় ম্যাজিক স্কুল নয়তো বেশি দূর....

তুই খামখেয়ালি মাঝেমধ্যেই উদাস, পথে দুষ্টু বুদ্ধি উধাও।
কেঁদে কেঁদে মা যখন অথৈ ঠিক তখনই মায়ের বুকে লেপটে-
চুপটি করে তুই আর এমনটা হবেনা কখনও,যদি গ্যালাক্সি কিনে দাও!
সেইদিনই সন্ধ্যা বেলা এটিএম প্রায় ফাঁকা করে কিনে স্বপ্ন বাড়ি ফেরে।

সেই থেকে যতবার, যতদূরেই তুই মায়ের কাছে মনে করে-
ফোন করেছিস নিয়মকরে, হঠাত্ যদি বন্ধ হলে সেই ফোনটি!
বলতো সোনা মায়ের প্রাণ কেমন করে শান্ত থাকতে পারে ?
আরো বন্ধুরা সব কত বাসাবাসি কিকরে পারলো ওঁরা নাবলে কিচ্ছুটি?

আসলে সময়টা বড্ড বেশি সওদাশ্রয়ী, কৈশোর মনের বয়স বোঝা দায়!
বন্ধুরা নাকি একসাথেই মেতেছিল হুল্লোর,তবুও কেউ কার হাতে লাটাই-
জানে না! এ ভয়ঙ্কর আশ্চর্য বলনা খোকা কখনও মেনে নেওয়া যায়?
এক প্রজন্ম যে বয়সে প্যান্ট পরা শেখেনি অন্য প্রজন্ম খুনসুটি নয় খুনে হাত পাঁকায় .....

সময় ছোটাছুটি জীবন চক্রাকার অতিক্রম, মাথাগুলো কালো থেকে সাদা!
সেইসব সোনা দিন ভুলে গিয়ে অগ্রজ কিংবা শিক্ষক অসহ্য দেখে দুই-
বেত মারলেই স্কুলে দীর্ঘ মিছিল,অবস্থান, ডেপুটেশন শেষে আদালতে খুনের মামলা!!
সুখে খেতে ভূতে কিলোতে কোন সবলা হোক অবলা বারংবার বেলতলার মাটি ছুঁই ছুঁই...

সময় চাইছে অনিবার্য লক্ষ্যে অবিচল,ভেদ হোক রহস্যের পর্দা।
মৃত্যুর সহজ অবশিষ্ট বহুমূল্যও অপরাধী চিহ্নিতই হোক সংগতি
বন্ধুরা রহস্যময়তার ঘন অন্ধকারে কালো মেখে মান্যতা দেয় কার বার্তা?
হে গালভরা সভ্যতা যেকোনো হিংসার বিরুদ্ধে একত্রিত হও আমাদের সংহতি...


            
Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.