x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

সোমবার, জুলাই ২৫, ২০১৬

ইফতেখারুল হক

sobdermichil | জুলাই ২৫, ২০১৬ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
iftekharul








তোমাকে কেউ ভালবাসেনা, তোমাকে কেউ গ্রহণ করেনা । মানুষ, সে যতই ধার্মিক কিংবা অধার্মিক হোক তোমাকে খুব ঘৃণা করে । তোমাকে পাশ কাটিয়ে কিংবা তোমার চোখের সামনেই একশোটি শক্তিমান অথবা দুর্বল পুরুষ ধর্ষণ করে একটি শিশুকে কিংবা একজন অসহায় নারীকে । তোমাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নাড়িয়ে দেয় নারীত্বের অস্তিত্ব ! এবং ঘটনাটি ঘ’টে যাবার পর তোমার সামনেই অত্যন্ত নিপুণ ভাবে ধর্ষিতাকে ঝুলিয়ে দেয় কোন প্রাচীন বটবৃক্ষে । অথবা পুঁতে ফেলে নির্জন মাঠে,পতিত জমিতে । কিংবা বস্তা বন্দী ক’রে ফেলে আসে নদীমাতৃক বাঙলার যেকোনো একটি নদীতে । তোমার সামনেই তো পিশাচের দল জ্বালিয়ে দেয় মানুষের ঘর-বাড়ি, হত্যা করে মানুষ অবলীলায় ! শিশু হত্যার বেলায়ও কেঁপে ওঠেনা তাদের হাত ! তোমাকে গলির পতিতা মনে করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পথে, রাজপথে, দোকানে, শপিংমলে, রেস্তোরায়, পার্কে, উদ্যানে ধর্ষণ করে চরম ক্ষমতাবলে । তোমার নরম তুলতুলে মনের সীমা পরিসীমার ব্যবধান না মেনেই, না বুঝেই ছুঁড়ে তির । রক্তাক্ত করে তোমাকে । তুমি কষ্টে, ব্যথায় বেদনায় নতজানু হও । মুখ বুজে সহ্য করো অবজ্ঞা আর অবহেলা । তোমার নিস্তার নেই । তুমি এক কাতর অনুজ্জ্বল হাহাকারের নাম ! 

কার সাথে তুলনা করবো তোমাকে আমি ? মায়ের সাথে নাকি কোন বিশেষ নারীর সাথে যে কোমল । নাকি কারোর সাথেই নয় ? কিংবা করবো কি তুলনা একটি শিশুর সাথে ? যে কিনা নির্মল, নির্ভেজাল, পবিত্র ও সুন্দর; যে পারেনা একটি খুন করতে কিংবা খুনের কথা ভাবতে। যাকে চিমটি কাটলে প্রতিবাদ করেনা, আগুনে ঝাঁপ দিতে বললে ঝাঁপ দেয় । জলে ভাসতে বললে ভেসে যায় প্রশ্নহীন ভাবে । 

কিন্তু না ,আমি অনেক ভেবে দেখেছি, তুলনা করে তোমার চলার পথ আমি রুদ্ধ ক’রে দিতে পারিনা । তুমি চ’লবে তোমার পথে, তুমি গাইবে জয়গান তোমার মতো ক’রে । তোমার কণ্ঠ বেয়ে নেমে যাবে প্রতিবাদের সুর । মানবতা, তুমি কি বোঝ তোমার সহজ সরল দেহে নষ্ট মানুষ গুলো কেমন ক’রে নষ্ট পদচিহ্ন এঁকে দেয় ? তুমি কি বোঝ, তোমাকে হাতিয়ার বানিয়ে বিশ্ব শান্তি আলোচনার নামে প্রহসনের নাটক হয় ? বিশ্বের তাবৎ যুদ্ধবাজ দেশ গুলো তোমাকে ন্যূনতম পাত্তা না দিয়ে আক্রমণ করে অসহায় নিরীহ আর নিরস্ত্র মানুষের উপর ? তোমার নামে ভূমি দখল, দেশ দখল, লুটতরাজ চলে অবিরাম ! রাষ্ট্র নায়কেরা সিংহাসনে বসে উলঙ্গ নৃত্য করে। উল্লাসে কেঁপে উঠে রাজা আর রাজদরবার ! তোমাকে শোচনীয় ভাবে পরাজিত আর উপেক্ষা ক’রে দিনে-দুপুরে কিংবা রাতের অন্ধকারে ধার্মিক খুন করে ধার্মিককে অধার্মিক খুন করে অধার্মিককে । পৃথিবীর মানুষ আজ খুনের মহোৎসব পালন করছে কোন রকম দয়া মায়া ছাড়াই ! তোমার কাঁধে বন্দুক রেখে একদল মানুষ খুন করছে মানুষকেই ! খুন করছে রাষ্ট্র আর সংঘকে । 

মানবতা, বলতে পারো এভাবে আর কত কাল চ’লবে ? বলতে পারো অমানবিকের দল আর কতটা নষ্ট হলে তুমি তাকে বলবে এই পৃথিবী তোমার নয় ? বলতে পারো তোমাকে কণ্ঠে আত্মস্থ করতে হলে আর কত শিখতে হবে দোয়েলের গান ? উত্তর দাও । আমি অপেক্ষায় রইলাম । 




Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.