x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

সোমবার, জুলাই ২৫, ২০১৬

আসমা অধরা

sobdermichil | জুলাই ২৫, ২০১৬ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
asma

বৈষয়িক বিষাদ আর সদ্যজাত ভোর

প্রারম্ভিক যখন-
সবকিছু সরে যায়, গ্যাছে;
ছায়া, তীব্র আঁধার
মায়া, স্নেহের আঁচল
আলো, মধ্য দ্বিপ্রহর
একাকী ডলফিন শ্বাসে বয়ে বেড়ায় ফোয়ারা;
হিজলের ডালে ক্লান্ত ঘুঘু আর
শিকারির দাঁতে ঠিকরে ওঠে রোদ।
সবকিছু সরে যায়, গ্যাছে
বন্ধু, চেনার ভুল ছিলো
মধ্যস্থতা, পক্ষপাত দুষ্ট
শত্রু, বিবিধ বর্তমান
রাত-ভোর সব অস্পৃশ্য থেকে থেকে চুরি হয়
বিগত আর অনাগত সবকিছু। ভেতরে ধোঁয়ার
ঘুর্ণিপাকের কম্পনস্কেল বলে দেয় নিকোটিন
গাঢ়ত্বগাঁথা।
অতঃপর--
উল্কামৎসের সাথে সঙ্গমলিপ্ত বেভুল কবি
অমিয় অর্চি সন্নিবেশিত মনোরথ,
তাই কৌমুদী রাতে গমন করেন কল্পশব্দদ্রুমে...
অনিবার্য শীৎকারে ক্ষণপ্রভা হয়ে ধরায় নেমে আসেন
মনসিজ।
কাব্যপাত্র তখন কেবল তরলে টইটুম্বর;
কুমকুমাচ্ছাদিত কুলজ্ঞ পুরুষ মধ্যরজনীতে নেশারু
ঘুঙুর বাঁধেন চন্দ্রপায়।
আহ্ চন্দ্রমা! কুলটা...
সমাপ্তি--
বোহেমিয়ান অর্থে মলিকিউল থেকে খুঁটে খুঁটে
পিতার ক্রোমোজম নিংড়ে ফেলা নয়, যদিও স্থিতির
সংজ্ঞা বাগ মানাতে তুখোড় ছিলেন তিনি- উল্কার
গতিতে ভীষন ছুটে প্রদক্ষিন করি অরুণাভ বাৎসল্য
পৃথিবী, কেবল মস্তিষ্কের কিছু তরঙ্গ বিভ্রামক হয়।
আপাতঃ কোন কোলনে নেই স্বয়ম তবুও, একদিন
প্রামাণ্য দ্রষ্টব্য হবো বলে যাই।


এ রোদ্দুর আমার-

হৃদপিণ্ড থেকে হৃদয় যোজন দুর
থেকে থেকে বয়ে চলে; স্তব্ধ হয়-
গতানুগতিক নয় স্খলন অঙ্গ,
কষ্টেরা জীর্ণ হয়না, গাঢ়ত্বে কৈশোরের
রজঃদাগ যেমন কাঠের বেঞ্চিতে
থেকে যায় কয়েক যুগ!
বেঁচে থাকা বেহায়ার মত,
নির্লজ্জের কথকতায় ঘরে ফেরা
আর প্রিয় মুখখানা কেবল মেঘ হয়ে যায়;
ইচ্ছেরা বড় কাতর, গোঙ্গায়
শীতঘুম গুলোর আচরনে কর্পোরেট ব্যাস্ততা
তাই প্রেমের কবিতায় অনিচ্ছাতেই
বাউণ্ডুলের দুঃসমাচার যোগ হয়ে যায়।
যে বেলায় খুব কান্না কান্না লাগে
তখন কান্না ভুলে চিন্তিত হয় চোখ,
নিরলস দুঃশ্চিন্তারা এঁকে যায় এক
সূর্য দীঘল বাড়ী;
কপোলের উর্ধ্বদিকে কোন চোখের ঘনপল্লবের ছায়া।
প্রেম ভুলে যাওয়া দ্বিধান্বিত সময়ে
রূপালী মরিচীকায়
নিরাশার যাত্রা, বিভ্রমের আলো
তথাপি এগিয়েই ভুলে যাওয়া-
কে রাত জেগে কাঁদে;
শীর্ণ হাত রাখে মাথায়, চুলের ভাঁজে
চিরুনী করে কার চিরল আঙুল?
এই জানালায় আগে দেখা যেত জীবন
ইদানিং মৃত্যু; গাছ বা ধানক্ষেতের
অথবা কদাচিৎ মেটে সাপ।
স্বপ্নের কাজ বলে যাওয়া
একদিন ঘুম ভেঙে সব
ঠিক আগের মতো হবে-
নীল রঙা দালান,
কৃষ্ণচুড়া আর নারকোল পাতা
নানুর লাল টয়োটা
গজদন্ত ঘোড়া মেঘ আর
পরিচিত জানালার শিকের ফাঁক গলে
ফুটপাথের নির্জনতার কোলাজ!
পুরনো কষ্টেরা জেগে ওঠে
মধ্যরাতের নাড়ীর ব্যথা মনে পড়ায়
নিজ থেকে চলে যাওয়া মানুষেরা
হু হু বাতাস রেখে যায় কেবল-
যেমন দাদীমার স্মৃতিতে কান্নারা;
তবু প্রতিদিনকার ব্যস্ততায় আমরা
গাঢ় চায়ের লিকারের মতো রং মেখে
রাখি ঠোঁটে।
ও রোদ্দুর, আমার রোদ্দুর-
একবার হেসে ওঠো
আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত সব ভোর হয়ে যাক।





Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.