x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

সোমবার, জুলাই ২৫, ২০১৬

শৌভিক ঘোষ

sobdermichil | জুলাই ২৫, ২০১৬ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
Souvik


নীল বিপন্নতা 

প্রিয় বন্ধুটার কোনো খবর নেই বছর দুই হল।
গোলপার্ক পুলিশ স্টেশন এর মিসিং ডায়রির জেরে ওঠা কালি একই রকম সমাদরে আজও আগলে যাচ্ছে
বছর ছাব্বিশের একটি নিঁখুত বিবরণ -
নাম তিস্তা ।
হারানোর সময় পরনে ছিল
এমব্রয়ডারি কাজের  একটা শাড়ি
যার আঁচল জুড়ে কোনো এক সময়
সাচ্ছন্দে  খেলা আটপৌরে একটা আকাশ , কপালের বাঁ দিক ঘেঁষে বোধ হয়
একটু আনাড়ি হাতে পরিয়ে দেওয়া
খুব পছন্দের নীল টিপ আর
দু'চোখের কিনার জুড়ে আবঝা কাজলের দাগ ; যেটুকু উদ্ধার করা গেছে আবঝা হয়ে আসা লেখা থেকে ,
তাতে সনাক্তকরণ বিবরণীর নির্যাস বলতে  এটুকুই।

গত বছর  কুড়ি অক্টোবর একটি আধা সরকারী স্কুলে তৃতীয় শ্রেনীর একটা কাজ পেয়েছে সুশোভন।
বিডন স্ট্রিটের এক ফালি ফ্লাটে বৃদ্ধ হয়ে আসা মা ,
ক্রমশ জৌলুস খুয়িয়ে ফেলা বিবাহ যোগ্যা দিদি আর  নিত্য আরাধ্য ইষ্ট দেবতার সাথে
এখন যুক্ত হয়েছে তার পিয়ার অবয়ব সেখানে ;
এই অস্তিত্বের সাথে জড়িয়ে বড় হওয়া অনটনেও যা তার সাথে থেকেছে প্রতিনিয়ত।|
এই সুদীর্ঘ না থাকা সময়ে প্রাপ্তি বলতে
এক দেবদূতের মত  মস্তিস্কে বাসা নেওয়া আলজাইমার ব্যাধি ;
ঘুম নেই দুটো ডানপিটে চোখে।

আজকাল রাতের দিকে স্বপ্ন দেখে সুশোভন -
কে যেন তাকে ভীষণ ভাবে ডেকে বলে -
" এত অভিমান করতে আছে ?
সেদিনের থিয়েটার রো ডের রাস্তাটা এক বিকেলের বৃষ্টি তেই বড় পিচ্ছিল হয়ে গেল যে ! আমি আসব কেমন করে ?  "
তার কিছু পর সবুজে ঢাকা পাহাড়ের ভাঁজ বেয়ে সমতলে মেশা
একটা নদীর নিরন্তর প্রবাহের শব্দে উত্তাল হয় তার আপাত নিস্তেজ নিউরন গুলো কেমন যেন !

... হুহু করে বয়ে যাওয়া বাতাসী শব্দ ছাড়া আর কিছুই মনে পড়ে না তারপর।
শুধু কেউ তিস্তার দেখা পেলে একবার তার কথা জানিও সুশোভন কে।



Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.