x

প্রকাশিত

​মহাকাল আর করোনাকাল পালতোলা নৌকায় চলেছে এনডেমিক থেকে এপিডেমিক হয়ে প্যানডেমিক বন্দরে। ওদিকে একাডেমিক জেটিতে অপেক্ষমান হাজার পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ।​ ​দীর্ঘ সাতমাসের এ যাপন চিত্র মা দুর্গার চালচিত্রে স্থান পাবে কিনা জানি না ! তবে ভুক্তভোগী মাত্রই জানে-

​'চ'য়ে - চালা উড়ে গেছে আমফানে / চ'য়ে - কতদিন হাঁড়ি চড়েনি উনুনে / চ'য়ে - লক্ষ্মী হলো চঞ্চলা / চ'য়ে - ধর্ষিতা চাঁদমনির দেহ,রাতারাতি পুড়িয়ে ফেলা।

​হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা মানুষটি লালমার্কার দিয়ে গোল গোল দাগ দেয় ক্যালেন্ডারের পাতায়, চোদ্দদিন যেন চোদ্দ বছর। হুটার বাজিয়ে শুনশান রাস্তায় ছুটে যায় পুলিশেরগাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স আর শববাহী অমর্ত্য রথ...। গঙ্গা দিয়ে বয়ে গেছে অনেকটা জল, 'পতিত পাবনী গঙ্গে' হয়েছেন অচ্ছুৎ!

এ কোন সময়ের মধ্যে দিয়ে চলেছি আমরা?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

সমীরণ চক্রবর্তী

সোমবার, জুলাই ২৫, ২০১৬

অলভ্য ঘোষ

sobdermichil | জুলাই ২৫, ২০১৬ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
Allabhya


মেঘকে-পত্র

প্রিয় মেঘ।
বৃষ্টি চেয়েছিলাম এই খরা দগ্ধ ভূমিতে।
ভাল বাসা চেয়েছিলাম মহাভারতের কুরুক্ষেত্রে।
শ্বেত শুভ্র মেঘ কুমারী ব্লক করেদিলে!
মেঘের আস্তরণে ঘনীভূত সম্ভ্রম ধুল কণা যেন ভুলনা।
বরফের  কঠিন বর্মে যেন লক্ষ্মীন্দরের বাসর ঘর।
ক্ষুদ্র ছিদ্রও কি নেই যেখান থেকে আমার অভিশাপ
প্রবেশ করতে পারে তথাকথিত লৌকিকতার
কঠিন দুর্গে ঢাকা তোমার অন্দরে।
ধুলোয় নেমে আসতে তোমায় হবেই  বৃষ্টি কণা
আমার উদম মাঠটার বুকে তোমার ওই মিথ্যে ভেসে থাকা
আকাশ ছেড়ে; কেবল একদিনের জন্যে নয়  জন্ম জন্মান্তর
ধরে; বার বার।তুমি গলে যাবে আমার চিতার ভস্মে।
বেহুলার মতো ভেলা ভাসাবে  মেঘের আস্তে কুড়ে।

ইতি-
ভুবন ডাঙ্গার মাঠ



বৃষ্টি নামার আগে

বৃষ্টি আর অগ্নির মধ্যে ফারাক যদি তুমি জানতে।
বৃষ্টি খরা দগ্ধ ভূমিকে উর্বর করে শ্যামল করে।
তোমার দুচোখ টাই পুড়ে গেছে এই শহুরে জঙ্গলের দাবা নলে।
শুধুই কি চোখ পুড়েছে নাকি মোন ও!
না হলে তুমি বুঝতে আগুন আর জল পরস্পর বিরোধী।
বৃষ্টির ফোটা গুলকে আগুনের ফুলকি বলে ভ্রম হতোনা।
পুড়ে যাবে ভেবে নিজেকে গুটিয়ে নিতেনা ছাতার আড়ালে।
তবুও এই নাগরিক সভ্যতার বুকে একা ধ্বংস স্তূপে
বৃষ্টি নামার আগে  যুগ যুগান্ত ধরে কবি দাঁড়িয়ে আছে
তৃষ্ণার্ত চাতক হয়ে।




বৃষ্টি ও খোকা

বৃষ্টি বলল ঈশ ;\কি ছেলে মানুষী করছিস ;\ভিজে হলি কাক ভেজা ।
আমি বলি তাকে থাম\আর বাড়াস নেক দাম ।\গ্রীষ্মে পুড়ে হয়ে গেছি ভাজা ভাজা ।

বৃষ্টি বলল ঈশ ;\কি ছেলে মানুষী করছিস ;\সর্দি হলে বুঝবি ।
আমি বলি তাকে থাম\আর বাড়াস নেক দাম ।\তুই কি আমার নাক মুছবি !

বৃষ্টি বলল ঈশ ;\কি ছেলে মানুষী করছিস ;\মায়ের কাছে খাবি তুই বকুনি ।
আমি বলি তাকে থাম\তুই বাড়াস নেক দাম ।\অনা-মুখ তুই লোকে খুঁজে নেয় ছাউনি ।

বৃষ্টি বলল ঈশ ;\কি আজেবাজে বকছিস ;\আমাকে পেতে ভিজছে শহর কতকি !
আমি বলি তাকে থাম ;\তোতে ভেজে যত অধম \পশু ,পাখি আর মাঠ ,ঘাট প্রকৃতি ।

বৃষ্টি বলল তাই\করছিস বড় বড়াই ।\বুঝবি বটে অনাবৃষ্টি হলে ।
আমি বলি তাকে থাম \তোর দেমাগের বদনাম\ফি বছর জলে ভাসি বর্ষা এলে ।

বৃষ্টি বলল ঈশ ;\কি আজেবাজে বকছিস ;\এতো অপমান তবে আমি যাই চলে ।
আমি বলি তাকে থাম \ভাল লাগেনা রোদ্দুর আর ঘাম ।\তুই এলে শুধু খেলার সাথি মেলে ।






Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.