x

প্রকাশিত

​মহাকাল আর করোনাকাল পালতোলা নৌকায় চলেছে এনডেমিক থেকে এপিডেমিক হয়ে প্যানডেমিক বন্দরে। ওদিকে একাডেমিক জেটিতে অপেক্ষমান হাজার পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ।​ ​দীর্ঘ সাতমাসের এ যাপন চিত্র মা দুর্গার চালচিত্রে স্থান পাবে কিনা জানি না ! তবে ভুক্তভোগী মাত্রই জানে-

​'চ'য়ে - চালা উড়ে গেছে আমফানে / চ'য়ে - কতদিন হাঁড়ি চড়েনি উনুনে / চ'য়ে - লক্ষ্মী হলো চঞ্চলা / চ'য়ে - ধর্ষিতা চাঁদমনির দেহ,রাতারাতি পুড়িয়ে ফেলা।

​হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা মানুষটি লালমার্কার দিয়ে গোল গোল দাগ দেয় ক্যালেন্ডারের পাতায়, চোদ্দদিন যেন চোদ্দ বছর। হুটার বাজিয়ে শুনশান রাস্তায় ছুটে যায় পুলিশেরগাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স আর শববাহী অমর্ত্য রথ...। গঙ্গা দিয়ে বয়ে গেছে অনেকটা জল, 'পতিত পাবনী গঙ্গে' হয়েছেন অচ্ছুৎ!

এ কোন সময়ের মধ্যে দিয়ে চলেছি আমরা?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

সমীরণ চক্রবর্তী

সোমবার, জুন ২০, ২০১৬

শুভ্রদীপ চৌধুরী

sobdermichil | জুন ২০, ২০১৬ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
suvrodip



প্রলয় বাবু তার ঘরে এসে দেখলেন, এতক্ষণ যা ভেবে ছুটে আসছিলেন ঠিক তাই হয়েছে! জানালা খোলা থাকায় বৃষ্টির ছাঁট এসে শুধু তার বিছানা নয়, বিছানার উপরে থাকা বইপত্রের ভাল রকম ভিজিয়ে গেছে। কে জানতো এমন দুম করে বৃষ্টি নামবে? অথচ বাড়ি থেকে বেরুনোর সময় কাঠফাটা রদ্দুর রাস্তা ঘাট পুড়িয়ে যেন মজা দেখছিল! পেনশন তুলে সবে মিত্তিরের চায়ের দোকানে গিয়ে বসবেন এমন সময় এল বৃষ্টি। তখনই মনে পড়েছিল তার খোলা জানলাটার কথা!

এখন জ্যৈষ্ট মাস, জানলার বাইরে ঝকঝকে আকাশ। কালো মেঘের চিহ্ন মাত্র নেই। ভেজা বই গুলো বিছানা থেকে সরাতেই বেরিয়ে পড়ল চিঠিটা! হাতে তুলে দেখলেন বৃষ্টির ছাট চিঠিটাকেও ছুঁয়ে গেছে। কালি কলমের লেখা বলে খানিকটা অস্পষ্ট হয়ে যাওয়ায়, বই পত্র তেমনি ফেলে চিঠি খানা নিয়ে ছুটে গেলেন রান্না ঘরে। কেরোসিন কুকারটা জ্বালিয়ে অনেক উপরে দুহাতে ধরে থাকলেন চিঠিটা। সাবধানে শুকিয়ে আনলেন... তবে শান্তি। লাইনটানা পাতায় লেখা লাইন গুলোর দিকে হাঁ করে তাকিয়ে থাকলেন কিছুক্ষণ। 

সন্ধের দিকে তীব্র বেগে পুনরায় ঝড়। জানলার খোলা পাল্লা গুলো পাগলের মতো মাথা দোলাতে লাগল। সন্ধের রুটিন মাফিক হাঁটা থেকে ছুটে ঘরে এসে এবার প্রলয় বাবু দেখলেন, শুকিয়ে যাওয়া পুরনো বই এর হলদে পাতা থেকে ঘরময় উড়ছে কাগজ পত্র। আলো জ্বাললেন। শুধু টেবিলের উপরে ঠায়, যেন চুপ করে বসে আছে সেই চিঠিখানা। এগিয়ে এলেন চিঠিটার কাছে, লেখাগুলো যেন তার দিকে তাকিয়ে হাসছে! চশমা ছাড়াই পড়তে লাগলেন বহু চেনা, বহু বার পড়া লাইন...

- তুমি যা জানতে চেয়েছ তা বলবো না, বলবো না, বলবো না।
ইতি, তোমার বর্না।

তিনি অবাক হলেন। কাগজটা একটুও নড়ছে না, তবে কি এই পুরনো এক টুকরো কাগজে প্রেম এসে দাঁড়িয়েছে!






Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.