x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

সোমবার, জুন ২০, ২০১৬

পলাশ কুমার পাল

sobdermichil | জুন ২০, ২০১৬ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
palash





চিঠি ক্রম: ৪

মন,

তুমি আজ কেবল পরিচয় নও। তুমি আজ একটা সত্তা। জীবনের উর্দ্ধে ক্রমশ উঠে যাচ্ছো একটা স্বপ্নমায়ায়... মায়াই কেন বলব! তুমি তো আজ স্পন্দন, যে স্পন্দনে ভালোবাসা ক্রমশ ব্যাপ্ত হয়ে পরছে প্রাণের মধ্যে।

কেন এমন হয়? বা কেন এমন হল? -এইসবের সীমানা ছাড়িয়ে প্রথম পরিচয় আজ অচেনা ভবিতব্যের মুখোমুখি শুধু আশ্রয় চাইছে। বড় একা গো আমি! তুমি তো ফোন ধরলে না গতকাল। কোনো বার্তাও নেই। আরও যেন একা হয়ে গেলাম!

জানো, আমার মনময়ূরীর বৃত্তে তুমি আজ মন হয়ে উঠেছ। মেঘলা দিনে তোমার নেচে ওঠাতে দুঃখও সব উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। তোমার উঠানে নিজের মেঘলাটুকুকে বাদলের মতো ঝরিয়ে দিয়ে খুশি হই। বড্ড স্বার্থপর যে! তোমাকে ভিজিয়ে এই সুখ কি আদেও সুখ? নিজের উঠানে তুমি কীভাবে ভেজো -সেটুকু দেখি না।

নন্দনের পর নিজের যোগ্যতাকে যাচাই না করেই তোমার নান্দিকতায় মিশে যেতে চেয়েছিলাম। আসলে এ মনের একগুঁয়ে ইচ্ছা। তোমার সময়কে গুরুত্ব না দিয়ে নিজের সাজসাজ্জা নিয়ে পরেছিলাম। ফলত তোমায় কিছু কথার চাবুকে বিদ্ধ করলাম। জানো, এরপর আর আমার কথা বলার মুখ রইল না। বড় অভিমানে কথাগুলো বলেছিলাম গো! অভিমান! ইচ্ছা করে আবার প্রথম অবস্থায় ফিরে যেতে, সেই পরিচয়ের বিনুনিতে। তারপর না হয় খোঁপায় ফুল দেব। দেখলে, মনের পিপাসা এখনও! বিনুনি হয়নি। আবার ফুল!

জানি না, তোমার অতিপরিচিত স্বজনের মধ্যে আমার স্থান আদেও আছে কিনা। বলতে পারো এ আমার দুর্বল সন্দেহবাতিকতা। আর হবেই না বা কেন! জন্মদিনে সারাদিন তোমার শুভেচ্ছা বার্তার জন্য তৃষ্ণার্ত ছিলাম। কিন্তু তুমি এলেই না সেদিন। বড় কষ্ট হয়েছিল ঐ দিন। নিজের কাছে নিজে হেরে গিয়েছিলাম। তাই তারপর তোমায় রাগ দেখালাম। পারো তো এই অপরাধ, এই খামখেয়ালিকে ক্ষমা করো। আজ আমার দুর্বল দেয়ালে একমাত্র রঙ তুমি। তুমি হারালে যে নীল স্বপ্নগুলো হারাবে। অথচ আমি তো আজ স্বপ্নেই বাঁচি বা মরি। তোমার দেওয়া নীলটুকুতেই যে আকাশ দেখি। আর তোমায় দেখি...

বাদল দিন তো এসেই গেল। আর এই আকাশে নীলকে ছেয়েছে মেঘও। এরপর ঝরঝর শুধু ঝরিবে, আমি যেমন ঝরছি। জানো এখন সেই গান খুব গাইছি মনে মনে,

"আষাঢ় শ্রাবণ মানে না তো মন,
ঝর ঝর ঝর ঝর ঝরিছে...
তোমাকে আমার মনে পরিছে..."

সত্যই আজকাল নিত্যকর্মে তুমি মনে ঘুরপাক খাচ্ছো। তুমি যে মন। আমার এই ঝরে পরা কুঁচিতে পারলে কখনো ফিরে এসো। বাদল দিনে হাতে হাত রেখে ভিজতে চাই! আর ভেসে যেতে চাই তোমার তুমিতে। এসো। আমি অপেক্ষায় রইলাম..

মন! অভিমান তো ভালোবাসার গহনা। সব অভিমান ভুলে আসবে তো তুমি? মন!

ইতি
নীল



Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.