x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

সোমবার, জুন ২০, ২০১৬

কোয়েলী ঘোষ

sobdermichil | জুন ২০, ২০১৬ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
koyeli

রাজকাহিনী 

ধু ধু প্রান্তরে দাঁড়িয়ে আছে কোঠি বাড়ি--
একদিকে ভারত ---অন্যদিকে পাকিস্তান ।
বাড়ির উঠোনের মধ্যে ভাগাভাগি -----
ভেঙে ফেলতে হবে দুর্গের মত প্রাচীন ইমারত ।

ফতেমাকে দাঙ্গার সময় অত্যাচার করে ফেলে গেছে ।
স্থির দৃষ্টি ,ঠোটের কোন বেয়ে গড়িয়ে আসছে রক্ত ।
স্থান হয়েছে কোঠিবাড়িতে ।মালকিন বেগমজান
সশব্দে চড় মারছে গালে ---সম্বিত ফিরেছে মেয়েটির !
সে কি কান্না না আর্তনাদ ?

কোঠিবাড়ির মেয়েদের জাত নেই ধর্ম নেই ।
সুরেলা কণ্ঠে পদাবলী কীর্তন গায় কেউ --
কেউ খিস্তি দেয় । নির্যাতিতা ওরা !
শুধু কি শরীর ? না মন ও আছে ।
সুজনকে মেয়েটি বলেছে --
এই মাংসপিণ্ড সন্তানকে দুধ খাওয়ানোর জন্য ।
যোনী মেয়েদের এক স্বাভাবিক অঙ্গ ।
প্রতিরাতে বদলে যায় শরীর ---বদলায় না চোখের জল !

দুই দেশের প্রতিনিধি এসেছে সীমানার ভাগের দায়িত্বে।
বাল্যবন্ধুদের কথায় এসেছে দাঙ্গার কথা --হিন্দু মুসলমানের ।
সীমান্তে বাজছে ---বাবুল মেরা নৈহার ছুটহী যায়.........
সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোঠিবাড়ির মেয়েদের গুলি করা হবে !
ভাড়া করা হয়েছে গুণ্ডার দল ।

ওরা লড়বে --মরবে ---তবু দখল ছাড়বে না ।
শিখেছে গুলিচালনা ---শুরু হয়েছে লড়াই ।
বন্দুক গুলি বেয়নেট ধোঁয়া --শেষে আগুন ।
মেয়েরা শেষবারের মত লড়াই করেছে ।
হায়নার দল তাদের ছিঁড়ে খাবে বলে জিভ চাটছে ।

দাউ দাউ করে জ্বলছে আগুন!
উচ্চারিত হচ্ছে অগ্নিমন্ত্র ।
দাদীমা পড়ছেন রানী পদ্মিনীর কাহিনী ।
বারো হাজার বীরাঙ্গনা ঝাঁপ দিয়েছে অগ্নিকুণ্ডে --
বারাঙ্গনাও মরছে বীরাঙ্গনার মত ।
জয় সতীর জয় ---
হে অগ্নিদেব --শুদ্ধ কর দেহ --মন ।

চোখে জল --হাতজোড় করে গাইছি ---
জনগণমন অধিনায়ক জয় হে
ভারত ঐক্য বিধাতা ........
আমার ভারত তোমার ভারত --
সর্বধর্ম সমন্বয়ের দেশ ভারত ।
হৃদয়ে কোন কাঁটাতারের বেড়া দিও না --
ইটের ওপর ইট তুলে প্রাচীর গড় না ।
এক জাতি এক প্রাণ হিন্দু মুসলমান ।
যুদ্ধ নয় --দাঙ্গা নয় --শান্তি চাই ।



Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.