x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

সোমবার, জুন ২০, ২০১৬

ইফতেখারুল হক

sobdermichil | জুন ২০, ২০১৬ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
iftekharul



আমার শহরে নেমেছে বৃষ্টি কোলাহল অবিরাম! মেঘের আকাশে আলোর সূর্যটা হারিয়ে গেছে কয়েকদিন থেকেই। এখন আষাঢ়, আসছে শ্রাবণ । মাঝে মাঝেই সূর্যটা হারিয়ে যাবে আকাশ থেকে । ভারী কিংবা মাঝারি বৃষ্টি নামবে বিনা শর্তে ; এই যেমন এখন নেমেছে । সেই সঙ্গে গর্জনও শুনতে পাবো; এই যেমন পাচ্ছি এখন। বৃষ্টির শব্দেই ঘুম ভাঙছে গত কিছুদিন ধরে, আজও তাই। দিনরাতের বৃষ্টি একই । বলতে চাচ্ছি তার রূপটির কথা ; কিন্তু শব্দের মাঝে রয়েছে পার্থক্য। রয়েছে অন্যরকম মাদকতা। রাতের নীরবতায় যে শব্দ শুনতে পাই তার বর্ণনা দিতে গেলে পাতার পর পাতা ভরে যাবে। রাতের বৃষ্টি ও তার শব্দে যেন মিশে আছ তুমিও। মিশে আছে আমাদের প্রণয়ের রূপ ও গন্ধ, অনেক স্মৃতি। বৃষ্টিরও আছে নিজস্ব রূপ এবং মাতাল করা গন্ধ । আমি পাই আজো ,একসময় তুমিও পেতে । কিন্তু এখন তুমি কী ......... ??

এই শহরে আমি এখন একা, কেবলই একা। তুমি শহর ছেড়ে গেছো সেই কবে সেই সঙ্গে ফেলে গেছো কিছু প্রতিশ্রুতি, কিছু মুখস্ত সংলাপ । আমি এখন তাদের মুখোমুখি ! একসময় তোমার আর বৃষ্টির মাদকতা আমাকে এমন ক’রে আচ্ছন্ন করে রাখতো যে বহুরাত আমি তার আবেশ মেখে না ঘুমিয়েই কাটিয়ে দিতাম আর রাত জেগে লিখতাম কবিতার পর কবিতা ! তোমার ভেজা ঠোঁট আর বুকে আমি একটু একটু করে বুনে দিতাম স্বপ্নের বীজ; তুমিও তাই। তোমার স্বপ্ন গুলো এমন জীবন্ত ছিল যে মনে হ’ত তার কাঠামো কোনদিনই ভেঙে পড়বে না ! আমি তাই তোমাকে হারাবার ভয় পাইনি, আমি তাই তোমার স্বপ্ন গুলোকে বুকে জড়িয়ে ঘুমাতাম ;অর্থাৎ তোমাকে জড়িয়ে ।

কিন্তু আমার জানা ছিল না একসময় সব কিছু ভেঙে পড়ে ! কুঁড়েঘর থেকে বৃহৎ দালানকোঠা, পাহাড় থেকে ব্রিজ এবং মানুষের স্বপ্ন। আশ্চর্য সুন্দর স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসতাম আমি। ভালো লাগতো স্বপ্নের কাঠামোগত রূপটির যত্ন নিতে, মজবুত ক’রে তুলতে । কিন্তু এখন ? এখনো আমি স্বপ্ন দেখি, তার যত্ন নিই; তবে সব স্বপ্নই এখন আর আশ্চর্য রকমের সুন্দর নয় । সব স্বপ্নের কাঠামোগত দিকটি মজবুত নয় এখন আর । মধুর কিংবা মায়াবীও নয় । আজকাল স্বপ্নে তোমাকেই বেশি দেখি ! কিন্তু স্বপ্ন গুলো দেখে জেগে উঠবার পর বিষাদ এমন ক’রে ঘিরে ধরে যে, কিছুই ভাল লাগেনা আমার । দেখি তুমি বৃষ্টি ভেজা সন্ধ্যাবেলায় আমার সাথে নির্জনে ব’সে গল্প করছো গরম বাদামি জলের পেয়ালা হাতে । ওতে ঠোঁট রাখতেই তোমার চোখ বেয়ে নেমে যায় আশ্চর্য কান্নার জল !

কিন্তু কেন ? কিসের এত হাহাকার তোমার বুক থেকে উগরে যায় ? বাইরের মায়াবী বৃষ্টি আর তোমার চোখের বৃষ্টিতে আমি এক আশ্চর্য মিল খুঁজে পাই ! আর তা হলো, দু'টি জলেরই আছে মায়াকাতরতা । এইও বুঝি, একমাত্র জলেরই কোন ধর্ম নেই ।



Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.