x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

সোমবার, জুন ২০, ২০১৬

আসমা অধরা

sobdermichil | জুন ২০, ২০১৬ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
asma

অহোরাত্রির তন্দ্রা গো!

হাসিমুখে কান্না গাইছে সন্ধ্যা,"মধুমালতি ডাকে আয়", আর এই ঝরে পড়া মালতিদল হাতের মধ্যে নিয়ে স্থির তাকিয়ে থাকা চাঁদের সাথে মত্ত বঁধুয়া। আজকাল যেন স্বপ্ন ধরা পড়ে- করপুটে জমা থাকা কথা, ব্যথা, মালা হয়ে জড়ায় বকুল গন্ধে। 'স্ব' আর 'শ' কি মিলে যায় কখনো। অথচ তার ঘঁষা কাঁচের চশমা ঘোলা হয়। বাড়িয়ে দিলে সাধারন সুতোর শাড়ীতে মুছে বাড়িয়ে ধরা হাতে বকুল খেলে যায়।

আহা, এই চাঁদে অমন চোখ কি পুরু কাঁচে ঢাকতে আছে বলো? জোছনায় কি জ্বলে যায় দৃষ্টি! আঙুল দিয়ে ছুঁয়ে দিলেই কলঙ্ক লেগে গেল। কোথায়? চাঁদের গায়! বা হাত ধরে হাঁটলে ওইসব আলো আর দৃষ্টির মাঝে কাঁচের ব্যাবধান কেন? ফের গায় সন্ধ্যা, "গোপনে বলে মালা আয়.."

আজকাল হরিদ্রা ফল পাকলে, তাকিয়ে থাকি মাকালের দিকে..সেই সমস্ত কথারা অজস্র বেয়োনেট, বিক্ষত অধর..। যে পক্ষী পেটের ভেতর থেকে চঞ্চু উঁচু করে ঠুকরে খায় বুকের ভেতরে যক্ষের ধন, তারে বলি, বাকীটুকু খাবেনা? সামান্য গ্যাংগ্রীনে কি মেটে আশ! লাল যদি গভীর দাগ ছড়াতে না পারে.. সামান্য শুকোনোর পর টান পড়ে খয়েরী না হয়, সে ক্ষত কতোখানি পোড়ায়? আমি চাই অঢেল, আটপৌরে যন্ত্রনা যার কোন সহবৎ নেই, যে শিল্প জানেনা..

এসো উৎসব করি এইসব ছুৎমার্গের, খুঁচিয়ে বাঁচিয়ে রাখি দ্রাঘিমায় আঁতস ব্যথাসকল। কোল পেতে থাকি, সাবলীল সমস্ত দুঃখের অভয়ারণ্য আশ্রয় হয়ে, ক্লান্ত হলে ভেজা হাতে মুছে দিই তার কপোলের চূর্ণ অলক- ললাটরেখার স্বেদ ও ক্লান্তি।

ক্ষমাহীন প্রেমে আরেকবার অষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরি যারে, সেই নিয়তি আমার। এতোক্ষনে শ্রীকান্ত বাবু শুরু করলেন," আমি নিঝুম রাত, তুমি কোজাগরী আকাশ"। যে কন্ঠ উন্মাদ করে তোলে শ্রুতিগহ্বর, মিলিয়ে গেছে কালের অন্ধকারে। আর তাই বঁধূয়া ভিজে যায় গাঢ় কুয়াশায়।

এই আঙুলে ধরে হেঁটে যাও স্বমহিমা ও 'শ' সমাচার। মনে রাখার কথা নির্দ্বিধায় ভুলে গেলেও ক্ষতি নেই। স্বজাতীয় নখর ও বিষদাঁত জন্মের পরক্ষনেই শাপগ্রস্ত হয়েছিল বলে, বিষ বহনের অক্ষমতায়, কেবল বিষাদ সঙ্গী একাল সেকালে।





Comments
1 Comments

1 Reply so far - Add your comment

ruddro nilim বলেছেন...

আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছি...

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.