সবচেয়ে অবাক হবেন (Phuentsholing) ফুয়েনশোলিং (ভূটান) - জয়গাঁয় (ইন্ডিয়া) অবস্থিত ইন্ডিয়া-ভূটান বর্ডার দেখে। ইউরোপের মতো। একদম মুক্ত আকাশের মতো । তবে সীমান্তে যাতায়াতের ক্ষেত্রে সমস্যা না থাকলেও ভূটানের বড় বড় শহরের প্রবেশ মুখে ইমিগ্রেশন চেকিং হয়। পাসপোর্ট দেখাতে হয়। হয়তো সব কিছুই নাগরিক এবং দেশের নিরাপত্তা বিষয়ক ।
ভূটানের মুদ্রাঃ
ভূটানের মুদ্রার নাম Ngultrum। ভারতীয় রুপীর ১০০% সমমূল্য। ভারতীয় মুদ্রা সব জায়গাতেই সমান চলে, আলাদা করে Ngultrum কিনতে হয়না।
দর্শনীয় জায়গাঃ

ভিসা:
ভারত-ভূটানের বর্ডার আন্তর্জাতিক ভাবেই দুদেশের সহমতে শীতল । এখানে ভিসা'র প্রয়োজন হয় না , প্রয়োজন এন্ট্রি পারমিট । এটাই প্রচলিত ভিসা। এখানে বলে রাখা ভালো এয়ারপোর্টে অন এ্যরাইভাল যে ভিসা দেয় তা শুধু ভুটানের তিনটি শহর ফুয়েন্টশোলিং, থিম্পু আর পারো র জন্য। অন্য জায়গায় যেতে হলে তার জন্য আলাদা করে ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্ট থেকে এন্ট্রি / ভিসা নিতে হয়।
ভূটানের মুদ্রাঃ
ভূটানের মুদ্রার নাম Ngultrum। ভারতীয় রুপীর ১০০% সমমূল্য। ভারতীয় মুদ্রা সব জায়গাতেই সমান চলে, আলাদা করে Ngultrum কিনতে হয়না।
দর্শনীয় জায়গাঃ

ভারত-ভুটান সীমান্ত শহর ফুয়েনশলিং, রাজধানী থিম্পু, সাবেক রাজধানী পুনাখা, এয়ারপোর্টের শহর পারো।বিশেষ করে পারোর পাহাড়ী সৌন্দর্য্য অতি মনোমুগ্ধকর।
থাকাঃ ফুয়েনশলিং-এ থ্রি-স্টার মানের হোটেলও আছে। রাত কাটিয়ে সকালে বাসে থিম্পুর উদ্দেশ্যে রওনা। সেখানেও থাকার সুবন্দোবস্ত আছে। তবে এখানে খুবই এক্সপেন্সিভ বিভিন্ন বিষয়েই ।
সুচিন্তিত মতামত দিন