Header Ads

Breaking News
recent

প্রিয়দীপ

১ম পর্ব পড়ুন

পরকীয়া সম্পর্কে তথাকথিত সমাজ বোদ্ধাদের বেশ অনুভূতি লক্ষ্য করেছি। অনেকেই অনেক ভাবে নিজেদের মতামত তুলে ধরেছেন।পরকীয়াকে অনেকে একবাক্যে স্বীকার করেছেন এটা অন্যয় এটা বিশ্বাস ঘাতকতা এটা প্রতারণা । আবার অনেকে সরাসরি না বললেও আধুনিক কিছু যুক্তি দিয়ে পরকীয়া হতেই পারে এমন সমর্থন জুগিয়ে যাচ্ছেন।

সম্পর্ক বহির্ভূত  শরীরে মাতাল হওয়া বা সম্পর্ক করা একটা প্রতারণা , এটা সর্বজন নিবেদিত প্রখর যুক্তি । কিন্তু প্রশ্ন এহেন সম্পর্কের আচ্ছাদনে নারী / পুরুষ কেন নিজেদের আবদ্ধ করে ? 

একজন মানুষ কেন, নিজের স্বামী / স্ত্রী রেখে অন্যের সাথে সম্পক করেন? কেন সন্তান রেখে অন্যের হাত ধরে রাতের আধারে অজানার পথে পা বাড়িয়ে দেন ? ঘর ছাড়ার সময় কেউ কি একবারও ভাবে না প্রিয় সন্তান গুলোর মুখ ? সন্তানের ভবিষ্যৎ ? কেনই বা আজকাল দৈনিক পত্রিকায় ভিড় করা পত্র মিতালীর মধুর শ্রেণীবদ্ধ বিজ্ঞাপনের হাতছানি ? শুধুই কি শারিরীক চাহিদার কারণে? শুধুই কি অলীক স্বপ্নে ?  

অস্বীকার করার উপায় নেই -  প্রেক্ষাপটের বাস্তবতায়  বেশ কিছু কারণ আছে যা আমরা দেখেও না দেখার ভান করি। আর একেই বলে সমাজের একপেশে ছিঃছিঃ এবং দ্বিমুখী আচরন।

আমি মনে করি পুরুষ / নারী’ র শরীরী আলিঙ্গন আপেক্ষিক মাত্র । হৃদয় নিঃসৃত  ভালোবাসা থেকেই এই সঙ্গম প্রাকৃতিক এবং স্বাভাবিক । আগেই বলেছি নুন্যতম চাহিদা ভালোবাসা , একে অন্যের প্রতি শ্রদ্ধা , বোধ বিশ্বাস , এবং  আত্মসমালোচনা বা সামগ্রিক একটি সম্পর্কের সুস্থ সুশীল ভাবনা না থাকলে , শুধু মনুষ্যত্ব’ র দোহাই দিয়ে একটি বন্ধন আগলিয়ে চলা যায় না । 

ইতিহাস, ধর্ম, দর্শন, সাহিত্য অনুসন্ধান করলেও আমরা দেখতে পাই মানব সমাজে পুরুষ / নারীর কামস্পৃহা কখনোই কম ছিলো না। বরং পুরুষের থেকে নারীর কামস্পৃহা বেশি বলেই নারীকে ‘কামুকী’,‘কামার্ত’, ‘নটিনী’,প্রভৃতি নানা শব্দ কোষে এবং নারীকে বশীভূত রাখতে তৈরি হয়েছে নানা ধর্মীয় এবং সামাজিক বিধি নিষেধের দেওয়াল। হিন্দু পুরাণ এবং সাহিত্যে আমরা দেখেছি কীভাবে সুপুরুষ রামচন্দ্রকে দেখে রাবণের বোন শূপর্ণখা কামার্ত হয়ে পড়েছিলেন, কিংবা মহাভারতে সুঠামদেহী অর্জুনকে দেখে কামার্ত হয়ে পড়েছিলেন নাগ রাজকন্যা উলুপী, জেনেছি সেই অমোঘ চাহিদার নিঃসৃত বাণী -  

‘হে পুরুষশ্রেষ্ঠ! আমি তোমাকে অভিষেকার্থ গঙ্গায় অবতীর্ণ দেখিয়া কন্দর্পশরে জর্জরিত হইয়াছি। এক্ষণে তুমি আত্মপ্রদান দ্বারা এই অশরন্য অবলার মনোবাঞ্ছা পরিপূর্ণ কর।’

এছারাও  মহাভারতের বহু নারী চরিত্রই বহুচারিনী এবং বহুগামিনী। পাঁচ স্বামী নিয়ে ঘর করা দ্রৌপদী তো আছেনই, তার পাশাপাশি সত্যকামের মাতা জবালা, পাণ্ডব জননী কুন্তী থেকে শুরু করে স্বর্গের অপ্সরা উর্বসী, রম্ভা সকলেই ছিলেন বহুপুরুষাসক্ত। কামাসক্ত নারীর উদাহরণ এবং তাদেরকে অবদমনের নানা পদ্ধতি অন্য ধর্মগুলোতেও আছে। ইসলামে হিজাব এবং বোরখার ব্যবহার মুলতঃ কামাসক্ত নারীকে ‘পর্দানশীন’ রাখার জন্যই মনে করা হয়। মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকার বহু মুসলিম দেশে আধুনিক যুগেও নারী খৎনা নামের একটি কুৎসিৎ রীতি প্রচলিত আছে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নারীর ভগাঙ্গুর কেটে ফেলা হয়, যাতে নারীর কাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে পুরুষেরা।  

পাশাপাশি ধর্মের এই বেড়াজালে মহান পুরুষেরা যে শুধু সাধু , ভাবা একদম শতাব্দীর সেরা বোকামো । পুরুষেরাও বহুগামী। নারীর বহুগামিতা যেভাবে চোখে ভেসে আসে ঠিক বিপরীত  পুরুষতান্ত্রিক সমাজে একপেশে চোখের জন্যই পুরুষের বহুগামিতা সেই ভাবে আলোকপাত হয় না বা তা শোনার উপযুক্ত  শ্রোতা পাওয়া যায় না বা তেমন কোন কাঙ্ক্ষিত চোখ থাকে না যেখানে ভেসে বেড়াবে অহরহ । 

তাই নারীর বহুগামিতাকে যতটা খারাপ চোখে দেখা হয় ঠিক ততটাই আবার পুরুষের বহুগামিতা চোখে দেখা হয়না । বহু জায়গায় এখনো বহুগামী নারীকে বেত্রাঘাত আর পাথর ছুঁড়ে হত্যার বিধান প্রচলিত আছে। এমনকি পশ্চিমেও বিংশ শতাব্দীর আগে নারীদের বহুগামিতার কারণে স্বামীর বা পরিবারের আগ্রাসন থেকে তাকে রক্ষা করার কোন শক্ত রাষ্ট্রীয় আইন কানুন ছিলো না।  বরং অবাধ্য, বহুগামী আর কামার্ত স্ত্রীকে নিগ্রহ, নির্যাতন আর হত্যাকে পরোক্ষভাবে উদযাপনই করা হতো সামাজিকভাবে। পরবর্তীকালের নারীবাদী আন্দোলন, নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং মানবিক আইন কানুনের প্রবর্তন নারীদের এই নিগ্রহ থেকে কিছুটা হলেও মুক্তি দিয়েছে।

প্রশ্ন তো শুধু একটাই – এতো কষ্ট , এতো বেদনা  শুধুই কি শরীরের চাহিদায় , নাকি –

দিবা রাত্রি শ্বাস প্রশ্বাসে এইটুকু তো বুক 
এক দলা মাংস পিণ্ডে বাহারি  অসুখ  - 

প্রশ্ন এসে দাড়িয়েছে  পরকীয়া ব্যক্তিগত নাকি সামাজিক ?  নৈতিক নাকি আইনগত ?  এইসব বিষয় নির্দিষ্ট করা প্রয়োজন। আমরা আত্মসমালোচনা বা গভীরে আলোকপাত কখনো করিনা । আমরা জেনেই বড় হয়েছি এই সম্পর্ক একটা  বেআইনী অবস্থান তৈরি করে এবং সেই কারণে ইহা সামাজিক অপরাধ। সামাজিক আইনের এই অবস্থান ব্যক্তি স্বাধীনতার পরিপন্থী , কেননা  বিষয়টি  উন্নত-অনুন্নত, ধনী-দরিদ্র, প্রাচ্য-পাশ্চাত্য নির্বিশেষে পৃথিবীর সকল সমাজে বিদ্যমান। কেন এমন একটাও সমাজ নেই যেখানে বিবাহিত নারী / পুরুষরা তাদের বেদনা, অভিমান, কষ্ট গুলিকে একত্রে করে – ভালোবাসায় মুড়ে , আগলিয়ে নিয়ে থাকতে পারে ।  ইচ্ছামত চলাচল করতে  পারে ? অতএব, প্রাসঙ্গিক ভাবেই এসে পড়ে- পরিবার কি অবাধ ব্যক্তিস্বাধীনতা চর্চার স্পেস? পরিবারে ব্যক্তিস্বাধীনতা চর্চার সম্ভাবনাই বা কতটুকু?

শুধুমাত্র ঘটা করে নারী / পুরুষের মিলন’ ই  কি আসলেই পরিবারের প্রকৃত ভিত্তি? তাহলে এতো আচার-সংস্কার পালন কেন ? কেনই বা  রেজিষ্ট্রেশনের মাধ্যমে রাষ্ট্রের স্বীকৃতি নেওয়া ? প্রেম পর্ব না হয় কিছুটা সহয়তা করে  ( যদিও পরবর্তীতে ইহাই আগ্রাসী ভুমিকা পালন করে একে অন্যের প্রতি প্রতিশোধ স্পৃহায় ) একে অন্যের বিস্তারিত ভাবে জানার । কিন্তু সমাজে এমন বিয়ে কতটুকু ? সমাজ , একটি পরিবার এবং তার ধর্মীয় শাসন ব্যবস্থায় লক্ষ লক্ষ অজানা পুরুষ / নারী মিলিত হচ্ছেন এই সামাজিক ক্রিয়ায় এবং বাধ্যবাধকতায় । অর্থাৎ বিয়ে মানেই কি পরিবার গঠন তন্ত্র , অবাধ প্রজনন ? তবে কি ভালোবাসা পরিবার গঠনে আবশ্যক নয় , আবশ্যক  কি  সামাজিক রাষ্ট্রীয় রীতিনীতি এবং প্রণীত লিপিবদ্ধ আইন ?

এপর্যায়ে এটা বলা যায় যে, উল্লেখযোগ্য মাত্রায় ব্যক্তিস্বাধীনতা বিসর্জন দিয়েই ব্যক্তি (নারী,পুরুষ উভয়ই) বিয়ের মাধ্যমে পরিবার গঠন করে। আর এর বিনিময়ে লাভ করে সামাজিক নিরাপত্তা, যৌন অধিকার ,সম্পত্তি, ক্ষমতা, উত্তরাধিকারী, ইত্যাদি।

সমাজের যে সংজ্ঞা দিয়ে সমাজবিজ্ঞানের আলোচনার শুরু হয় তা হচ্ছে  society is a web of interrelationship in and through which we live   অর্থ্যাৎ, সমাজ হচ্ছে অসংখ্য ব্যক্তির সম্পর্কজাল । যার মধ্য দিয়ে আমরা বেঁচে থাকি। সেই অংশে বিয়ের মাধ্যমে গঠিত পরিবার হচ্ছে এই সমাজের মূল, যেমন পদার্থের ক্ষেত্রে অণু। সমাজে প্রবেশ না করলে বাবা-মা, ভাইবোন,আত্মীয়স্বজন ,বন্ধুবাধব কোনটাই পাওয়া হয় না। বিদ্যমান পরিবার ব্যবস্থা  মূলতঃ পুরুষকেন্দ্রিক উত্তরাধিকারের ভিত্তিতে গঠিত বলে এখানে পুরুষের পক্ষপাতিত্ব থাকবেই। এটা সিস্টেমিক। এই পৌরাণিক উত্তরাধিকারের সিস্টেম সংশোধন করার মাধ্যমে নারীকে অন্তর্ভূক্ত করা গেলে হয়তো সমাজের নিয়ন্ত্রণ হতে ব্যক্তি স্বাধীনতার ( বিশেষ করে ‘জীবন,যৌবন সঙ্গী নির্বাচনের’ ক্ষেত্রে) খানিকটা মুক্তি মিলবে।  

প্রকৃতপক্ষে , যদি ভেবেই নেই  পরকীয়া পরিবার তথা সকল সামাজিক সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করে ,তাহলে সবার আগে প্রয়োজন ‘সামাজিক জীব হিসেবে ব্যক্তির অস্তিত্ব রক্ষা’র নিয়ন্ত্রণ । যে নিয়ন্ত্রণের মূল চাবিকাঠি  বিবেক, বিবেচনা ও শ্রদ্ধা ।

কখনো দেখা যায়  শক্তিমানদের ( সেটা অর্থ,ক্ষমতা,দল,মত যেকোন মাপকাঠিতেই হতে পারে ) জন্য আইন নমনীয়, কিন্তু দূর্বলদের বেলায় বজ্রকঠোর। তাই পাশাপাশি আমরা হররোজ দেখি যেমন, রাজনৈতিক ক্ষমতায় পরকীয়া করলে সেটা হয় লীলাখেলা , প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতায় বলীয়ান অফিসের বড়কর্তা অধ্বঃস্তন সহকর্মীর সাথে পরকীয়া করলে সেটা ‘অফিস এটিকেট’ আর একই অফিসের পিয়ন বা দারোয়ান করলে সেটা নষ্টামী ,ধর্মীয়নেতা / পীরসাহেব বা সাধু বৃন্দ  অন্যের স্ত্রীর সাথে জড়ালে সেটা হয় ‘আশীর্বাদ’ আর আমজনতা করলে সেটা চরিত্রহীনতা !!! সাবাস , সমাজ ।

তবুও আশায় বুক বাঁধি  আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে  প্রভাবকের প্রভাবে বেশ কিছু রাষ্ট্র সমুহের পার্থক্য বিদ্যমানে। যেমন,বাংলাদেশে  স্বনাম ধন্য এক রাষ্ট্র নেতা  বেআইনী যৌনসম্পর্ক করে সহজে পার পেয়ে গেলেও আমেরিকার স্বয়ং প্রেসিডেন্ট দৌড়ের উপরে থাকেন। কিছুদিন আগে ইতালীর প্রধানমন্ত্রী এবং বিশ্বব্যাংকের প্রধানও একইভাবে ম্যারাথনে উপস্থিত ছিলেন । আর ভারত এবং পশ্চিমবঙ্গ তো কথাই নেই;  উন্নয়নমুখী পুরুষ / নারী মুখোস গুলি  বহাল তবিয়তে যথাস্থানে রয়েছেন।

আবার আমরা দেখি - 

শাওন । প্রয়াত স্বনামধন্য লেখক হুমায়ূন আহমেদের ২য় স্ত্রী। লেখকের মৃত্যু এবং পূর্বেই বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় অভিযোগ ছিল , একটি নিন্দিত চর্চা ছিল -  শাওন কেবল শুধুমাত্র যশ এবং অর্থলোভেই বিবাহিত লেখককে বিয়ে করেছেন। আমার মনে হলো,এটা ঠিক নয়। শাওন সত্যি অর্থেই একটি যুগান্তকারী মেধা ও লেখক প্রতিভাকে ভালোবেসেছে্ন। পাশাপাশি  অর্থের জন্য’ই এই ভালোবাসার প্রশ্নই আসে না। কেননা,  যে কারণে মানুষের অর্থলোভ হয় সেটি তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। যতদূর জানি  শাওন প্রভাবশালী ধনীর মেয়ে এবং হুমায়ূন আহমেদের বিত্ত-বৈভবের তুলনায় তার পৈতৃক ধনসম্পত্তি অনেক বেশি।  শাওন , অসুস্থ হুমায়ূনের শিয়রে ছিলেন বছরের পর বছর। ব্যয় করেছেন কোটি কোটি টাকা। ব্যবসা ,বাণিজ্য, অফিস ছেড়ে যেভাবে তিনি লেখকের পাশে থেকেছেন , আগলে রেখেছেন -  সেও এক বিরল দৃষ্টান্ত।  

শুধু মাত্র সমাজের দোহাই দিয়ে শাওনের এই সম্পর্ক আমার কাছে অপরাধ মনে হয় না । বরং মানবিকতাবোধ থেকেই এহেন ভালোবাসাকে আমি শ্রদ্ধা করি । পরকীয়া নয়, আমি বলি  হৃদয়ের সঙ্গমে আপনক্রিয়া। 

বিবর্তনের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে,  মানব প্রজাতি শতকরা একশ ভাগ একগামিতার জন্য কিংবা শতভাগ বহুগামিতা – কোনটির জন্যই বিবর্তনগত ভাবে অভিযোজ্য হয়নি।  ইতিহাসের পরিক্রমায় আমরা যেমন গরিলাদের মতো হারেম করে চলা আকবর বাদশাহর সন্ধান পাই তেমনি আবার সন্ধান পাই একদ্বারপত্নিক বহু মানুষেরই। নারীদের ক্ষেত্রেও মহাভারতের দৌপদি থেকে শুরু করে ক্লিওপেট্রা, কিংবা অধুনা ব্রিটনী স্পিয়ার্স, প্যারিস হিল্টন কিংবা লিজ টেলর পর্যন্ত বহুগামী নারীর সন্ধানও খুঁজলেই পাওয়া যাবে, যেমনি পাওয়া যাবে সীতার মত কেবল একস্বামী নিয়ে মত্ত কঠোর অনুরাগী স্ত্রীও। পাওয়া যাবে ছল চাতুরী প্রতারণাপ্রবণ কিংবা কামকাতুরা নারীর দৃষ্টান্তও। সেজন্যই হেলেন ফিশার তাঁর “প্রেমের বিশ্লেষণ”  বই এ লিখেছেন  -

‘এমন কোন সাক্ষ্য প্রমাণ নেই যে মেয়েরা যৌনতার ব্যাপারে লাজুক ছিলো কিংবা তারা গোপন যৌন অভিযান এড়িয়ে চলে। বরং পুরুষ ও নারী উভয়েই এক মিশ্র প্রজনন কৌশল প্রদর্শন করে;  একগামিতা এবং বহুগামিতা দুটোই আমাদের স্বভাবজাত অভ্যাস’।

।। সমাপ্ত ।। 


পরিচিতি

৭টি মন্তব্য:

  1. উত্তরগুলি
    1. ভীষণই খুশী হলাম দাদা । ধন্যবাদ লেখাটি সামগ্রিক ভাবে পড়ার জন্য ।

      মুছুন
  2. অপূর্বও আর লেখাটি একটি সংস্কারমূলক অবদান রেখেছে সমাজে, শুভ কামনা জানাই শুভ্রকে

    উত্তরমুছুন
  3. অপূর্বও আর লেখাটি একটি সংস্কারমূলক অবদান রেখেছে সমাজে, শুভ কামনা জানাই শুভ্রকে

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. হার্দিক শুভেচ্ছা কবি । পাশে থাকুন সামগ্রিক লেখায় -

      মুছুন
  4. বর্তমান সমাজের বহুল চর্চিত বিষয় আজ 'পরকীয়া'! ভীষণ প্রয়োজন ছিল এই শব্দটির খোলা মেলা ব্যাখ্যার। লেখার নিখুঁত ভঙ্গী সেই কাজটিকে সুন্দর ভাবে সম্পন্ন করেছে। শুভ কামনা কবি, আগামীর...!

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. আমি মনে করি পুরুষ / নারী’ র শরীরী আলিঙ্গন আপেক্ষিক মাত্র । হৃদয় নিঃসৃত ভালোবাসা থেকেই এই সঙ্গম প্রাকৃতিক এবং স্বাভাবিক । আগেই বলেছি নুন্যতম চাহিদা – ভালোবাসা , একে অন্যের প্রতি শ্রদ্ধা , বোধ বিশ্বাস , এবং আত্মসমালোচনা বা সামগ্রিক একটি সম্পর্কের সুস্থ সুশীল ভাবনা না থাকলে , শুধু মনুষ্যত্ব’ র দোহাই দিয়ে একটি বন্ধন আগলিয়ে চলা যায় না ।

      সেই থেকেই কিছু লেখার স্পর্ধা সবিনয়ে পাঠক মহলে । শুভেচ্ছা কবি , সময় নিয়ে লেখাটি পড়া এবং মতামত প্রদানে ।

      মুছুন

সুচিন্তিত মতামত দিন

Blogger দ্বারা পরিচালিত.