Tuesday, May 19, 2020

অনিন্দিতা ঘোষ / অনসূয়া

sobdermichil | May 19, 2020 |
অনসূয়া / অনিন্দিতা ঘোষ
নেক্স্ট ১৪ ,কে আছেন,এসিস্ট্যান্ড মেয়েটির ডাক শুনে উঠে আসে চিত্রা।সাথে মেয়ে তুলতুল।আস্তে আস্তে পর্দা সরিয়ে জিজ্ঞাসা করে,ভিতরে আসবো ম্যাডাম।

চোখ না তুলেই কর্মরত ম্যাডাম বললেন আসুন।

ভিতরে ঢুকে পাশাপাশি দুটো বেতের মোড়া চেয়ারের সামনে গিয়ে দাঁড়াল চিত্রা।কি সুন্দর করে সাজানো ভিতরটা,হাতের কাজ করা ওয়ালম্যাটগুলোর থেকে চোখ ফেরানোই যাচ্ছেনা।

ডাক্তার ম্যাডাম চোখ তুলে ইশারা করলেন বসার জন্য,চিত্রা মেয়েকে একটা চেয়ারে বসিয়ে আর একটায় নিজে বসলো।

বলুন আপনার সমস্যা কী?

প্রশ্নটার জন্যে চিত্রা রেডি ছিল,তবুও বলতে গিয়ে কোথায় যেন একটু বাধো বাধো ঠেকছে।

ঢোক গিলে বললো ম্যাডাম সমস্যাটা আমার মেয়ে তুলতুলের।ও ইদানীং এমন কিছু কান্ড করছে যেটা একদম স্বাভাবিক নয়,বলতে পারেন খুব টেনশনে আছি।

কিরকম বলুন তো, তুলতুলের দিকে তাকালেন বিখ্যাত মনোরোগ বিশেষজ্ঞা ডঃ দেবপ্রিয়া বসূ।

ছয় বছরের তুলতুল আপন মনে তার হাতের মুঠোয় ধরে থাকা বার্বিডল নিয়ে খেলে চলেছে নিজের সাথে।

চিত্রা মেয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে বলতে শুরু করে,ম্যাডাম আমার হাসি-খুশি মেয়েটা হঠাৎ করে খুব জেদি আর বদমেজাজী হয়ে উঠছে দিন দিন।বাড়িতে কারো সাথে কথা বলতে চায়না,খেলনা পুতুলগুলো একটা একটা করে ভেঙে ফেলছে,রং তুলি পেলে আমার মেয়ে ভীষন খুশি হত,কিন্তু এখন রং তুলিতে কোন আগ্রহ নেই।কিছুদিন আগে খেয়াল করলাম ওর ভীষন পছন্দের একটা নীল রং এর ফ্রক ও কাঁচি চালিয়ে কেটে ফেলেছে।খুব ভয় পেয়েছিলাম সেদিন।

ডাক্তার ম্যাডাম চিত্রাকে থামিয়ে প্রশ্ন করলেন ,বাড়িতে আপনারা মোট সদস্য কতজন?

মালতীদিকে নিয়ে ছয়জন,চিত্রা বলে ওঠে। আমি,হাজব্যান্ড,তুলতুল,আমার ছোট মেয়ে মিতুল আর আমার শ্বাশুড়িমা।আর স্বামী পরিত্যক্তা মালতীদি আজ অনেকবছর ধরে আমাদের বাড়িতে থাকেন,আমাদের আশ্রিতা।

আপনার ছোট মেয়ের বয়েস কত ,ডঃ দেবপ্রিয়া চিন্তিত মুখে বলে ওঠেন।

একবছরের হল।

হুম,বলুন আর কি সমস্যা।

চিত্রা মেয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে,বলতে থাকে,ম্যাডাম কয়েকদিন আগে আমি আর অর্ক মিতুলকে নিয়ে একটু বেরিয়েছিলাম বাড়ি ফিরে দেখি তুলতুলকে নিয়ে হুলুস্থূল পড়ে গেছে।মেয়ে চিলেকোঠার ছাদে গিয়ে বসে আছে,আর মালতীদি ওকে নেমে আসার জন্যে কাতর মিনতি করে চলেছে।লোহার সিঁড়ি বেয়ে ওইছাদে ওঠা খুব দূরহ ব্যপার ম্যাডাম।একমাত্র অর্ক ই ওখানে উঠতে পারে।তাছাড়া মেয়ে কোনোদিন আমাকে ছাড়া ছাদে যেতেই চাইতো না,হনূমানের ভয় পেত।

চিত্রার মুখের দিকে তাকিয়ে ডঃ দেবপ্রিয়া প্রশ্ন করেন,তুলতুল রাত্রে কার কাছে ঘুমায়?

মাস ছয়েক হল ওর ঠাম্মির কাছে ঘুমায়,চিত্রা উত্তর দেয়।

তুলতুল কি আপনার কাছে থাকার বায়না করেছে কখনো?

না ম্যাডাম,ও কখনো সেরকম কোন বায়না করেনি।মিতুল হ ওয়ার আগে তো প্রায় ই বায়না করতো ঠাম্মির কাছে শোওয়ার।আমিই তখন ওর বায়নায় আমল দিইনি,কিন্তু এখন মিতুলের ডাইপার চেঞ্জ করা,এইসব সমস্যার জন্যে তুলতুলকে ওর ঠাম্মির কাছে ঘুমানোর ব্যবস্থা করেছি।

এইবার ডঃ দেবপ্রিয়ার মুখে একটা মুচকি হাসি খেয়াল করলো চিত্রা।

বলুন মেয়ের আর কোন হিস্ট্রি আছে?

ডঃ ম্যাডামের প্রশ্নে চিত্রা বলে আছে ম্যাডাম,দিন দুই আগের একটা খুব খারাপ ঘটনা ঘটিয়ে ফেলেছে তুলতুল।গত রবিবার অর্কর অফিসের এক কলিগ ফোন করেছিল ,তুলতুলের কাছে মোবাইলটা থাকায় ওই ফোনটা রিসিভ করে।সেটা আমরা কেউ খেয়াল করিনি।প্রায় আধঘন্টা পরে ভদ্রলোক আবার ফোন করেন,আর অর্ক রিসিভ করে।ভদ্রলোকের কথা শুনে আমরা হতবাক হয়ে গেলাম।তিনি প্রথমবার ফোন করে যখন অর্কর খোঁজ করেছিলেন,তুলতুল রিসিভ করে উত্তর দিয়েছে তার পাপা আর মাম্মাম মারা গেছে!

এইরকম একটা বাচ্ছার মুখে এই কথা শুনে উনি অবাক হয়ে যান,আর ভয় ও পেয়েছেন।তুলতুল ফোন কেটে ফেলায় আর বেশি কিছু জানতে পারেননি,তাই আবার আধঘন্টা পরে ফোন করেছেন।আমি ভাবতে পারছিনা,তুলতুল এইরকম ভাবে মিথ্যা বলতে শিখেছে।বড্ড অসহায় লাগছে ম্যাডাম ।

সব শুনে ডঃ দেবপ্রিয়া হাসলেন,বললেন এই রোগের ওষুধ আমার কাছে আছে,চিন্তা করবেননা,যেমন বলছি ঠিক তেমনটা মেনে চলুন।

আশা রাখি তুলতুলকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে দিতে পারবো।তবে কাজটা একটু কঠিন।এইবলে তিনি তার এসিস্ট্যান্ড মহিলাকে ডাকলেন,আর তুলতুলের দিকে ইশারা করে বললেন,অতসী তুমি তুলতুলকে একটু বাইরে থেকে ঘুরিয়ে নিয়ে এস,আর ওকে অবশ্য ই ওর পছন্দমত দুটো চকলেট কিনে দিও।প্রথমে রাজি হয়নি,কিন্তু অতসীর মন ভোলানো গল্পে খুশি হয়ে তুলতুল ওর সাথে চলে গেল বাইরে।

এরপর ডাক্তার দেবপ্রিয়া বলতে শুরু করলেন,শুনুন চিত্রাদেবী আপনার ছোট মেয়ে মিতুলকে কিছুদিনের জন্যে বিশ্বস্ত কোথাও সরিয়ে রাখুন,আর মিতুল সম্পর্কে একদম উদাসীন থাকবেন বাড়ির সবাই।মানে মিতুলের নাম কেউ তুলতুলের কাছে ভুলেও নেবেননা।যেন আপদ বিদায় করে সবাই নিশ্চিন্ত হয়েছেন।ঠিক এইভাব থাকতে হবে সবার মধ্যে।মনে রাখবেন আপনাদের এই কঠোর সিদ্ধান্তের উপর তুলতুলের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে।

এ আপনি কি বলছেন ম্যাডাম,চিত্রা চমকে ওঠে।

ঠিক ই বলছি চিত্রাদেবী,আপনার বড় মেয়েকে সুস্থ করে তোলার এটাই একমাত্র উপায়।ছোটবোন তার জীবনের সব ভালোলাগাগুলো কেড়ে নিয়েছে,এই যন্ত্রনাবোধে ও শেষ হয়ে যাচ্ছে।এইভাবে চলতে থাকলে ঈর্ষাবোধ ওর এতোটাই বেড়ে যাবে,যেটা আর আপনাদের নিয়ন্ত্রনের মধ্যেই থাকবেনা।তুলতুলের মধ্যে এই ধারনাই তৈরী হয়েছে,বোনের জন্য বাড়িতে ওর আদর ,ভালোবাসা কমে গেছে,ও একটা প্রচন্ডরকম অনিশ্চয়তায় ভুগছে।

খুব তাড়াতাড়ি আপনাদের ওর এই ধারনা উপড়ে ফেলতে হবে,না হলে সমূহ বিপদ।

কিন্তু ম্যাডাম মিতুল তো এখন বড্ড ছোট,ও তো আমাকে ছাড়া একমুহূর্ত থাকতে পারবেনা,আর আমিই বা কি করে থাকবো ,মাথায় তো কিচ্ছু আসছেনা।

কিন্তু এছাড়া এইমুহুর্তে আর কোন পথ নেই চিত্রাদেবী।যেভাবেই হোক কারো সাহায্য নিয়ে মিতুলকে কটা দিন সরিয়ে রাখুন।আমি তুলতুলকে এই নেগেটিভ ট্রিটমেন্ট করেই ঠিক পথে আনতে পারবো,এছাড়া আর কোন অপশন নেই আমার হাতে ।বাকিটা আপনাদের ইচ্ছা।

একটা অজানা ভয়,যন্ত্রনা বুকে নিয়ে বাড়ি ফিরলো চিত্রা।শ্বাশুড়িমা আর অর্ককে সব খুলে বললো সে।সব শুনে শ্বাশুড়িমা তাকে আশ্বস্ত করলেন।তিনিই মিতুলকে নিয়ে কিছুদিনের জন্যে গ্রামের বাড়ি চলে যাবেন।সেখানে মিতুলের পরিচর্যা করার লোকের অভাব হবেনা।ছেলে বৌমাকে আশ্বস্ত করে তরুলতাদেবী পরদিন ই ছোট নাতনিকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি চলে গেলেন।

তুলতুল এসব কিছুই জানতে পারলোনা।শুধু স্কুল থেকে ফিরে দেখলো মাম্মাম তার পছন্দের বাটার চিকেন আর পরোটা বানিয়ে রেখেছে।ফ্রেশ হয়ে টেবিলে এসে বসলো তুলতুল।আজ তার ভারী অবাক লাগছে,অনেকদিন পরে মাম্মাম তাকে খাইয়ে দিচ্ছে।সে অবাক হয়ে বললো,মাম্মাম বোনাইয়ের কাছে যাবেনা?ও তো এক্ষুনি উঠে পড়বে,তোমাকে না পেলে কাঁদবে।

না তুলতুল,তোমার বোনাইকে আমরা বেবি কেয়ার সেন্টারে রেখে এসেছি।ওকে এখন আর এখানে আনতে চাইনা।ও ভীষন দুষ্টু করছিল দিনদিন।

চিত্রার কথা শুনে তুলতুল অবাক চোখে মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে।এমনটাও কি সম্ভব!স্বপ্ন দেখছে না তো সে।ইসসস কি মজা,বোনাই নেই,মানে বাড়ির সব কিছু তার।আবার সে আগের মত সবড়ফিরে পাবে।খুশিতে চিৎকার করে ওঠে তুলতুল,সত্যি বলছো মাম্মাম,পাপাও আর ওকে আনবে না তো,ঠাম্মিও না?

না তুলতুল ওইরকম একটা পচা মেয়েকে বাড়িতে আনাটা আমাদেরএক্কেবারে ঠিক হয়নি।তবে ঠাম্মি এখন বাড়িতে নেই।কয়েদিনের জন্যে একটু বড় ঠাম্মির বাড়িতে বেড়াতে গেছেন।

ও,আচ্ছা মাম্মাম আমি কি তাহলে এখন থেকে তোমার আর পাপার কাছেই থাকবো রাত্রে?

হ্যাঁ সোনা,তুমি এখন থেকে আমাদের কাছেই থাকবে,বলে চিত্রার বুকের ভিতর মোচড় দিয়ে ওঠে।এতটুকু বাচ্ছার মধ্যে এত অভিমান জমে ছিল ,সে মা হয়ে কিচ্ছু বুঝতে পারেনি!কেমন মা সে।সত্যিই কি মিতুলের জন্যে তুলতুলকে অবহেলা করেছে সে,নিজেকে কেমন একটা অপরাধী মনে হতে লাগলো।তুলতুল ঘুমিয়ে পড়লে,সে ফোন করে অর্ক আর শ্বাশুড়িমাকে সব খবর দিল।এইভাবেই চললো বেশ কিছুদিন।ডঃ দেবপ্রিয়াও নিয়মিত ফোনে যোগাযোগ রেখে চলেছেন।আস্তে আস্তে তুলতুল তার অনিশ্চয়তার মেঘ কাটিয়ে জীবনের চেনা ছন্দে ফিরতে লাগলো।এখন তার মাঝে মধ্যেই মিতুলের কথা মনে পড়ছে,বোনাইটা তার ভারি মিষ্টি ছিল।কি সুন্দর কথা বলতে শুরু করেছিল।পাপা অফিস থেকে ফিরে,শিস দিলেই বোনাই খিলখিলিয়ে হেসে উঠতো।ঠাম্মিকে তো ডাকতেই পারতোনা।তুলতুল কতোবার শিখিয়েছিল,বল ঠাম্মি,সে শুধু ফ্যালফ্যাল করে ঠাম্মির দিকে তাকিয়ে থাকতো।একবার মাম্মামের লিপস্টিকটা কেমন বোকার মত মুখে পুরে ফেলেছিল,সমস্ত মুখটা লাল হয়ে গিয়েছিল।তখন অবশ্য মাম্মাম ওকেই বকেছিল,বোনাইয়ের হাতে লিপস্টিক দেওয়াটা ওর ঠিক হয়নি।কি জানি বোনাইটা এখন কেমন আছে।ঘুম পেলে তো চিৎকার করে কাঁদতো মাম্মামের জন্যে।আচ্ছা এখন বোনাইকে কে ঘুম পাড়াচ্ছে!আহা রে,না জানি ও কত কষ্টে আছে।পাপা আর মাম্মাম ও তো বোনাইকে একদম ভুলে গেছে।ওদের কি বোনাইয়ের জন্যে একটুও মন কেমন করছেনা।না না,পাপা মাম্মামকে বলতে হবে তার বোনাইটার খবর নেওয়ার জন্যে।তুলতুল অর্কর কাছে গিয়ে আস্তে আস্তে ডাকতে থাকতে।অর্ক আর চিত্রা যেন দেখেও কিছু দেখতে পায়নি,এমন ভাবে বলে ওঠে কি হয়েছে তুলতুল,কিছু বলবে?তুলতুল মাথা নিচু করে বলে,পাপা আমার বোনাই কেমন আছে?ওর জন্যে আমার মন খারাপ লাগছে পাপা।

আনন্দে চোখের জল ধরে রাখতে পারছেনা চিত্রা আর অর্ক।কিন্তু নরম হলে চলবেনা।ডাক্তার ম্যাডামের কড়া নির্দেশ।আরো কটা দিন,ওদের এভাবেই চলতে হবে।

বোনাইকে নিয়ে তুমি একদম ভাববেনা তুলতুল,ওর জন্যে তুলতুলের খুব কষ্ট হয়েছে।আমরা তুলতুলকে ঠাম্মির কাছে ভুল করে পাঠিয়ে দিয়েছি।কিন্তু পাপা,মিতুল এখন বড্ড ছোট তাইনা।মাম্মাম না খাইয়ে দিলে,খেতেও পারেনা।নিজে কিছু করতেও পারেনা।আমি তো পারি।তাছাড়া ঠাম্মি রাত্রে আমাকে কত সুন্দর গল্প বলে,ওগুলো কি মিতুল বুঝবে?

দেখ তুলতুল আমরা অনেক টাকা দিয়ে নার্সিংহোম থেকে তোমার জন্যে একটা বোনাই কিনে এনেছিলাম।কিন্তু বোনাইটা তুলতুলকে একটুও খুশি করতে পারেনি,তুলতুলের পাপা,মাম্মাম সবাইকে কেড়ে নিয়েছিল দুষ্টুটা।তাই ওকে ফেরৎ পাঠিয়ে দিয়েছি।এরপর আর স্থির থাকে পারলোনা তুলতুল,ঝাঁপ দিয়ে পড়লো অর্কর কোলে,পাপা আমার বোনাই একটুও দুষ্টু না,তোমরা ওকে ফেরৎ দিওনা পাপা।আমার খুব কষ্ট হচ্ছে।আমিই দুষ্টু করেছি পাপা।আমি বোনাইকে খুব ভালোবাসি,ওকে তোমরা ফেরৎ দিওনা পাপা।চিত্রা অঝোরে কেঁদে চলেছে,কথা বলার কোন শক্তিই তার নেই।তুলতুলের হাপুস নয়নে কান্না আর অর্কর বুকচাপা খুশির কান্না বাড়ির আনাচ কানাচে ছড়িয়ে পড়তে লাগলো।তুলতুল ঘুমিয়ে পড়লে ডঃ দেবপ্রিয়াকে ফোন করে সমস্ত পরিস্থিতির কথা জানালো চিত্রা।আরে কনগ্রেচুলেশন,আপনারা এবার নিশ্চিন্তে মিতুলকে আনতে পারেন,আশা করি তুলতুলকে নিয়ে আর কোন সমস্যা হবেনা।পরদিন দুপুরে স্কুল থেকে ফিরে তুলতুল চমকে ওঠে,বোনাইয়ের কথার শব্দ মনে হচ্ছে,ও একছূট্টে মিতুলের ঘরে ঢুকে দেখে মাম্মামের সাথে বোনাই খেলছে।ইসস কি মিষ্টি তার বোনাইটা,চুমুতে চুমুতে মিতুলকে অস্থির করে তোলে তুলতুল।পাশে দাঁড়ায়ে ঠাম্মি হেসে ওঠে,বলে চিত্রা আজ থেকে আমার তুলতুলের নাম পরিবর্তন হল,আজ থেকে ও অনসূয়া বুঝেছ,মনে থাকে যেন সব্বার।
Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

 

অডিও / ভিডিও

Search This Blog

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Powered by Blogger.