শনিবার, নভেম্বর ৩০, ২০১৯

তুষার কান্তি দত্ত

sobdermichil | নভেম্বর ৩০, ২০১৯ |
ঠোটেংকল
ঠোটেংকল
মারছানের পিছে পিছে রওনা দিলাম বাজার থেকে। ফাউলুস সাংমার সাথে খুব সকালে আজ বাঘমারা থেকে রওনা দিয়েছি। কিছুটা আসতেই রংদেক নদী। নদীর উপর ঝোলানো কাঠের সেতু। সেতুর উপর থেকেই ফ্রেমবন্দী করলাম রংদেক নদীকে। নদীতে তখন দুটো “রেঙ” মাছ ধরছিলো। গোটা একটা গাছকে কেটে বানানো বিশেষ নৌকাকে গারো’রা রেঙ বলে। খুব বেশী তিন-চার জন লোক উঠতে পারে। মাছ ধরার জন্যই রেঙ ব্যবহার করা হয়। নৌকাগুলি লম্বা ধরণের। রোদ ঝলমলে দিন। কাঠের সেতু পার করতেই শুরু হলো ধানের খেত। খেত পার হয়ে এসে অন্ধকার স্যাতস্যেতে একটা ঝোপ। ধাপে ধাপে নীচে নামি। এটাই চিবে নালা। চিবে নালা বরাবর রাস্তা। নদীখাতের দুপাশে বালির উপর গোলাকার নুড়ি। উপত্যকার পাথুরে দেওয়ালে ঘন অরণ্যের শ্যামলিমা আগলে রেখেছে নদীকে। নদীর জলে গাছের সবুজ ছায়া। নিবিঢ় অন্ধকারে ঢাকা দুপাশের জঙ্গল।



পা থেকে জুতো খুলে প্যান্ট গুটিয়ে মারছান নেমে পড়ে নদীতে। মারছানের দেখাদেখি আমরাও। এটাই গুহা যাবার পথ। মারছান মারাক আজ আমাদের লোকাল গাইড। রাস্তা কখনো কখনো নদী বরাবর। স্বচ্ছ আয়নার মত জলে সবুজ ছায়া। ঠান্ডা জল। জল ঠেলে ঠেলে সামনের দিকে এগোই। জুতার ফাঁকে বারে বারে ঢুকে যায় কাঁকড় আর বালি। বিরক্ত লাগে। পা থেকে জুতা খুলে হাতে নেই। এবারে নদীর ওপারে যাওয়া। নদী পার করতেই প্রকান্ড এক সাপ। কালো রঙয়ের ডোরাকাটা। দু একটা ছবিতুলে পাশ কাটিয়ে যাই। নদীর পাড়ে বিমূর্ত সব ভাষ্কর্য। নদী সংলগ্ন পাথুরে খাড়া দেওয়াল দিয়ে শুরু হয় চড়াই। । কাঁটাগাছ আর বন্যলতা ঝুলে আছে পাথুরে দেওয়ালে। কোনমতে গাঁ বাচিয়ে চলা। কত দিন মানুষের পা পড়ে নি এই রাস্তায়। শ্যাওলার আস্তরণ জমে জমে পিচ্ছিল পাথর। গাছে গাছে লাইকেন আর মসের বাসা। আবার নেমে এলাম নদীর বেডে। এবারে বালির পাড় ধরে চলা। নদীর বিপরীতে অনেক জল। দূর থেকে একটা হট ওয়াটার স্প্রিং দেখিয়ে দিলো মারছান। ওদিকটায় জল অনেক। আমি সাঁতার জানি না। তাই দূর থেকেই দেখে নিলাম হট স্প্রিং। চিবে নালা পুরোটাই প্রস্রবনের(স্প্রিং) জলে পুষ্ট। সারা বছর জল থাকে। তবে বর্ষাকালে বৃষ্টি হলে জল অনেক বাড়ে। বালির পাড় ধরে হাঁটছি। হঠাৎ উরে যায় এক ঝাক প্রজাপতি। ছবি তোলার নেশায় আবার কিছুক্ষন অপেক্ষা। কতক্ষনে বসবে তারা বালির উপর লবন খেতে... 

ছিপ না। তবে ছিপের মত একটা বাঁশের কঞ্চি ঠেলে ঠেলে দেশীয় পদ্ধতিতে মাছ ধরছিল এক জন গারো মানুষ নদীর জলে পা ডুবিয়ে। ছবি তুলবো না হাটবো! দুটো কাজ কি একসাথে করা যায় ? 

হাঁটতে হাঁটতে তাই পিছিয়ে পড়েছি। দলের বাকি তিন জন এগিয়ে গেছে অনেকটা। মারছান হাত তুলে তাড়া লাগায়। আবার জলে জলে পা ডুবিয়ে চলা। নদীটা এখানে ধনুকের মত বাঁক নিয়েছে। নদীর বিপরীত পাড়ে একটা গুহা। জল এখানে পাহাড়ের খাঁজে ঢুকে যাচ্ছে। আর কিছুদিন পর এলে ধনুকাকৃতি নদী বাঁকটা শুকিয়ে যাবে। তখন জল পাহাড়ের খাঁজে ঢুকে অনেকটা দূরে চিবে নালার সাথে নতিঢাল প্রস্রবণ হয়ে বেরিয়ে যাবে। প্রকৃতির এই রঙ্গমঞ্চে আলোই প্রধাণ। ক্রিস্টাল ক্লেয়ার জলের উপর শ্যাওলা সবুজ রঙ বাহার। দুপাশে ঘন কালো পাথুরে দেওয়ালে সবুজের সমারোহ। নানা শেডের সবুজ। কোথাও হাল্কা কোথাও গাঢ়। নুড়ি আর পাথরের উপর দুপুরের রোদ চকচক করে। নদী থেকে আবার উঠে এসেছি অনেকটা উপরে। নদীর খাড়া দেওয়াল। জলের গভীরতা এখানে অনেক। পাথরের দেওয়ালের সাথে গায়ে গা লাগিয়ে চলা। কোথাও কোথাও পা রাখার জায়গাটুকুও নেই। মড়া গাছের ডাল ধরতেও ভয় হয়। যদি খুলে আসে! তাহলে ভারসাম্য হারিয়ে অনেকটা নীচে ঝপাং! আশেপাশে কেউ নেই। চিৎকার করলেও কেউ শুনতে পাবে না। পা টলমল করে...



অবশেষে নেমে এলাম ধারে। একটু প্রসস্থ জায়গাটা। গলা শুকিয়ে কাঠ। বোতল থেকে জল আর দুটো বিস্কুট খেলাম। আসার সময় মারছান বুদ্ধি করে এক প্যকেট বিস্কুট এনেছিল সাথে। হাতের বাঁ দিকে অনেক গুলো ছোট ছোট গর্ত পাহাড়ের গায়ে। তার মধ্যে একটা একটু বড়। এক মিটারের কমই হবে উচ্চতা। হাতে তুলে মারছান বলে, এটাই ঠোটেংকোল। গারো ভাষায় ঠোটেং মানে দেবতা বা দেবতা সম্পর্কিত। আর কোল মানে গুহা। অন্ধকার গুহাতে ঢুকতেই গা ছমছম করে। হামাগুড়ি দিয়ে প্রবেশ করি গুহার ভেতরে..... 

কই হ্যায় ?

চারিদিকে কি গুমট অন্ধকার। মাথা নীচু করে সামনে সামনে এগোই। কিছুই দেখা যায় না। পায়ের তল থেকে বালি সরে সরে যায়। কিছুটা যেতেই হাঁটু পর্যন্ত জল। গুহার ভেতরে অনেকটা ঢুবে গেলাম। ভেতর দিয়ে ভূগর্ভস্থ নদী বয়ে চলেছে কল কল শব্দে। চুনা পাথরের দীর্ঘদিন দ্রবণ ক্রিয়ায় গুহাগুলি সৃষ্টি হয়েছে। ১০০মিটার মত সামনে এগিয়ে তারপর বাঁদিকে বেঁকে গেছে আবার। ডান হাত দিয়ে প্যান্টটাকে কোন মতে গুটিয়ে নিয়েছে ফাউলুস। আমাদের প্যান্ট অনেকটাই ভিজে গেছে। পায়ের তলে উঁচুনিচু ভুমি। ফাউলুসের ডান হাতে টর্চ। ঘুটঘুটে অন্ধকারে টর্চের আলো ছাড়া কোন গতি নেই। অনেকটা ভেতরে চলে এসেছি। এখান থেকে বাইরের আলো আর দেখা যাচ্ছে না। গা ছমছম করছে। এখান থেকে চিৎকার করলেও বাইরের কেউ শুনতে পাবে না। গুহার ছাদ থেকে টপ টপ করে জল পড়ছে নীচে। ভয় লাগছে বিশাক্ত গ্যাস কিম্বা সাপ – পোকামাকড়ের। বেশ কিছুটা চলে আসার পর গুহাটা প্রসস্থ হয়ে গেছে। তা প্রায় ২০০মিটারের কাছাকাছি। গুহার ছাদ এখানে দু’মানুষ উঁচু। এখন দিব্বি সোজা হয়ে দাঁড়ানো যাচ্ছে। মুল পথের দুপাশে খিলান আকৃতি বেশ কয়েকটা প্রবেশ পথ। বুঝতে পারছিলাম ভুলভুলাইয়া। কোন কারণে রাস্তা ভুল হলে গুহার ভেতরেই ঘুরে মরতে হবে। ৩০০মিটার ভেতরে চলে আসার পরে বেশ ভয় লাগে। নদীখাত আর গুহার ভেতরের জলতল একই সমতলে। হঠাৎ করে যদি পাহাড়ে ফ্ল্যাশ ফ্লাড হয় তাহলে গুহার জলতলও বেড়ে যাবে। সেক্ষেত্রে চুড়ান্ত বিপত্তি ঘটতে পারে। কারণ গুহাতে ঢোকার মুখে কিছু জায়গায় প্রায় হামাগুড়ি দিয়েই এসেছি। কপাল মন্দ হলে এই প্রগাঢ় অন্ধকারে সলিল সমাধি ঘটবে আমাদের চার জনেরই। বাইরের পৃথিবী যার খবর কোন দিনই জানতে পারবে না। বা পারলেও বহুদিন পরে। অগত্যা পেছন ফিরি। মারছান কিন্তু অত সহজে হাল ছাড়তে নারাজ। মারছানের কথায় ভেতরে আরো গলিপথ আছে। নানান কারুকার্য আছে সেখানে। দেওয়ালে ঝুলে থাকে স্ট্যালাকটাইট আর দেওয়ার জুড়ে দ্রবণীয় চুনের আস্তরণ। আমরা কেভ হান্টার নই। তাই এর চেয়ে বেশি রিস্ক প্রানঘাতি হতে পারে। অন্ধকারেই ফ্লাস দিয়ে দু’একটা ছবি তুলে পেছন ঘুরি। 

সকাল ৯টায় ঠেটেংকোলের দিকে রওনা হয়ে নেংকং বাজারে ফিরে আসতে দুপুর ২টা বেজে গেলো। একই পথে ফেরা। গুহাতে মণি মুক্ত কিছু না পেলেও ফেরার পথে পেয়ে গেলাম অনেক জীবাশ্ম। কাদাপাথরের মধ্যে ঝিনুকের অবশেষ। কিছুটা কংগ্লোমারেটের মত দেখতে পাথর গুলি। নেংকং বাজার পর্যন্ত এসে হাত তুলে বিদাই জানাই মারছানকে। গাড়িতে স্টার্ট দেয় ফাউলুস......


সিজুতে এসে আবার নদীর সাথে দেখা। এটা সিমসাং। ছোট্ট নদী। কাচের মত স্বচ্ছ জল। দুটো রেঙ। মাছ ধরছে স্থানীয় গারো উপজাতির জেলে। খুব ইচ্ছে হলো। নৌকাতে করে একটু ঘুরে বেড়াই। ব্যাগ দুটো গাড়িতে রেখে চলে এলাম নদীর পাড়ে। হাত দেখাতেই একজন জেলে এগিয়ে এলো। কিছুক্ষন নৌকাবিহার করে নেমে পড়লাম জলে। আমাদের দেখাদেখি ফাউলুস’ও নেমে পরেছে জলে। স্বচ্ছ ঠান্ডা জলে স্নান করতে করতেই ঘন্টা খানেক কেটে গেলো। ফেরার পথে রাস্তার উপজাতিদের হোটেলে খেলাম স্থানীয় গারো ডিশ। 

এক নজরে

পথের দিশা 

২০/১০ বালুরঘাট –কোচবিহার
২১/১০ কোচবিহার – ধুরবী – ফুলবাড়ি ঘাট
২২/১০ ফুলবাড়ি ঘাট – তুরা
২৩/১০ তুরা – বাঘমারা 
২৪/১০ বাঘমারা – নেংকং – সিজু – বাঘমারা 
২৫/১০ বাঘমারা – তুরা – শিলিগুড়ি
২৬/১০ শিলিগুড়ি – বালুরঘাট

খরচ 
মোট ১৫১৪৫ টাকা ছয় দিনে দুজনের। 

প্রয়োজনীয় ঠিকানা

মেঘালয় ট্যুরিজিমের গেস্ট হাউস 
বাঘমারা, সাউথ গারো হিলস
মোবাইল – ৯৬১২১২৮৪৭৩
ড্রাইভার (ফাউলুস সাংমা), ফোন নম্বর- ৯৮৬২৪০৯৮৮০

দর্শনীয় স্থান

ওয়েস্ট গারো হিলস
রাঙ্গাপানি —তুরা থেক ৪০কিমি দুরে অবস্থিত। অসমের মানকার চরে রাঙ্গাপানি একটি ঐতিহাসিক স্থান। মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের সেনাপতি মির জুমালের সমাধি রয়েছে এখানে। ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মির জুমাল এখানেই মারা যান। ফুলবাড়ি থেকে সহজেই রাঙ্গাপানি যাওয়া যায়। 

তুরা পাহাড় – ৮৭২মিটার উচ্চতায় তুরা পিক একটা সুন্দর জায়গা। এখান থেকে ব্রহ্মপুত্র নদকে ছবির মত দেখা যায়। হলদে সবুজ রঙে দেখতে লাগে বাংলাদেশের সমভূমি। আর তুরা শহরটিকেও চমৎকার লাগে। পাহাড়ের মাথায় একটা অবজারভেটরি রয়েছে। আর আছে সিঙ্কনার বাগান। ব্রিটিশ আমলে বানানো ছোট পায়ে চলা পথে অনায়েসেই চলে আসা যায় পাহাড়ের মাথায়। এই পাহাড়টি বর্তমানে তুরা সংরক্ষিত অরণ্যের অধীন।

নকরেক বায়োস্ফিয়ার – গারো পাহাড়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ নকরেক বায়োস্ফিয়ার। আসানাংগ্রি ও সাসাতগ্রি থেকে ৪০কিমি এবং তুরা পিক থেকে ২কিমি দুরে নকরেক বায়োস্ফিয়ার। এখানে পৃথিবীর বিরল প্রজাতির এক ধরনের কমলা পাওয়া যায়। যার বিজ্ঞান সন্মত নাম সিট্রাস ইন্ডিকা। 

নকরেক বায়স্ফিয়ারের সর্বচ্চো উচ্চতা ১৯০০মিটার। নকরেক বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ ঘুরতে হলে নকরেক পাহাড়ের পাদদেশে দারিবকগ্রিতে আসতে হবে। দারিবকগ্রি ছোট্ট একটা গ্রাম। স্থানীয় মানুষ জনের বাড়িতে খুব সামান্য টাকাতেই হোমস্টেতে থেকে ঘুরে নেওয়া যায় নকরেকের আশপাশ। এই গ্রাম থেকে নকরেক পর্বতের চুড়াতে যেতে ৩.৫কিমি যেতে হবে একদিনে অনায়েসেই উঠে যাওয়া যায় পাহাড়ের উপরে। স্থানীয় খাবারের সাথে সাথে এখানে গাছবাড়িতে থাকারও ব্যবস্থা আছে। 

চিবাগ্রী- গানোল আর রংরাম নদীর উপর চিবাগ্রী। এটা একটা নদী সঙ্গম। তুরা থেকে গৌহাটি যাবার পথে ৯কিমি দূরে চিবাগ্রী। সুন্দর পিকনিক স্পট।

পেলগা ফলস – তুরা থেকে উইলিয়ামনগরে যাবার পথেই পরে পেলগা ফলস। তুরা থেকে ৭কিমি। এখানে গানোল নদীর উপরে একটা সুন্দর বাঁশের ব্রিজ রয়েছে।


রংবাংডারে—তুরা থেকে উইলিয়ামনগরে যাবার পথে পরে রংবাংডারে। এখানেও একটি খরস্রোত রয়েছে। আর আছে গারো দের একটা স্থানীয় মার্কেট। কিছু চায়ের দোকান। তুরা থেকে উইলিয়ামনগরে যাবার পথে কিছুক্ষন এখানে কাটিয়ে নেওয়া যায়। 

সাসাতগ্রী – নকরেক পাহাড়ের পাদদেশে সাসাতগ্রী গ্রাম। তুরা – উইলিয়ামনগর বাস রাস্তায় পরে ওরাজিটক। ওরাজিটক থেকে চলে যাওয়া যায় সাসাতগ্রী গ্রামে। তবে ওরাজিটক থেকে রাস্তা ছোট। কমলালেবুর জন্য এই গ্রামের খুব সুখ্যাতি আছে। 

ভাটিবাড়ি – অসমের ফুলবাড়ি থেকে ৮কিমি দূরে ভাটিবাড়ি। এখানে ৪/৫ AD র ধ্বংসপ্রাপ্ত কিছু অবশেষ পাওয়া গেছে। 

ইস্ট গারো হিলস

উইলিয়ামনগর – তুরা থেকে ৭৬কিমি দূরে উইলিয়ামনগর ইস্ট গারো হিলসের সদর শহর। সিমসাং নদীর তিরে অবস্থিত এই শহরটির নামকরণ হয়েছে মেঘালয়ের প্রথম চিফ মিনিস্টার ক্যপ্টেন উইলিয়ামসন সাংমার নাম অনুসারে। 

নাকাচিকোং– ধুপদারা থেকে ১৫কিমি দুরে অবস্থিত। মাছধরা নিয়ে এখানে কিছু পৌরাণিক অন্ধ বিশ্বাস রয়েছে উপজাতির মানুষের মনে।

রেসুবেলপাড়া – উইলিয়ামনগর থেকে ১৫কিমি দূরে রেসুবেলপাড়া একটি উষ্ণ প্রস্রবণ। 

নাপাক—উইলিয়ামনগর থেকে ৪৫কিমি দূরে। এখানে একটি লেক আছে। 

সাউথ গারো হিলস

বাঘমারা – সিমসাং নদীর তিরে, দক্ষিণ গারো পাহাড়ের প্রধান শহর বাঘমারা। কাছেই রয়েছে ছবির মত দিলসা পাহাড়। মেঘালয় পর্যটন দপ্তরের এখানে একটি বাংলো রয়েছে। এটি মেঘালয়ের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত শহর। 

বাঘমারা শহর থেকে ৪ কিমি দূরে বাঘমারা রিজার্ভ ফরেস্ট। বিভিন্ন প্রজাতির পাখি, লেঙ্গুর, হাতি রয়েছে এই ফরেস্টে। বালপকরম থেকে প্রায়ই হাতির পাল চলে আসে বাঘমারা রিজার্ভ ফরেস্টে। 

নেংকোং – বাঘমারার ১৪কিমি উত্তরে নেংকোং। এখানে অনেকগুলি গুহা রয়েছে। চুনাপাথার যুক্ত এই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ন গুহা গুলি হলো – 

টেটেংকোল , বালওয়াকোল (৫৩৩মিঃ), ডোবাক্কোল চিবে নালা(২০০০মিঃ), বক বক ডোবাক্কোল (১০০০মিঃ)

Facebook Comments
0 Gmail Comments

-

 
Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ,GS WorK । শব্দের মিছিল আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

English Site best viewed in Google Chrome
Blogger দ্বারা পরিচালিত.
-