বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৬, ২০১৭

মৃত্যু স্বাভাবিক ও অনিবার্য প্রক্রিয়া

শব্দের মিছিল | অক্টোবর ২৬, ২০১৭ |
Views:
 মৃত্যু স্বাভাবিক ও অনিবার্য প্রক্রিয়া
চীন দেশে প্রাচীন কালে সিমা সিয়েং নামক এক সাহিত্যিক বলেছিলেন, ‘মানুষের মৃত্যু অনিবার্য কিন্তু তার তাৎপর্য হবে থাই পাহাড়ের চেয়েও ভারী বা বেলে হাঁসের পালকের চেয়েও হালকা।’ মৃত্যু স্বাভাবিক ও অনিবার্য প্রক্রিয়া। কিন্তু এই অনিবার্য প্রক্রিয়া কখনো কখনো মানুষ নিজের হাতে তুলে নেয়। এবং তখনই সেটিকে ‘আত্মহত্যা’ বলা হয়। এ প্রসঙ্গে বিভিন্ন সময় গবেষণা হয়েছে। গবেষণার খসড়াপত্র ঘাটলে দেখা যায় বেশিরভাগ গবেষক এর কারণ হিসেবে কয়েকটি জিনিস ঘুরেফিরে গবেষণায় তুলে ধরেছেন। এগুলোর মধ্যে মানসিক চাপ, বিষণ্নতা এবং ব্যর্থতাকেই বেশি দায়ি করেছেন তারা। বিশ্বসাহিত্যের অনেক সাহিত্যিকই কিন্তু আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছেন। এঁদের মধ্যে কবির সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ধারণা করা হয়, অতিরিক্ত সংবেদনশীলতাই এর অন্যতম কারণ। এ রচনায় বিশ্বসেরা কিছু সাহিত্যিকের আত্মহনন নিয়ে আলোচনা করা হলো।

1/ সিলভিয়া প্লাথ, (১৯৩২ - ১৯৬৩):-

“I desire the things that will destroy me in the end.” 

সিলভিয়া প্লাথ একজন আমেরিকান কবি এবং উপন্যাসিক। কবি এবং লেখক হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পূর্বে তিনি স্মিথ কলেজ এবং কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে সাফল্যের সঙ্গে পড়াশুনা করেছেন। ১৯৫৬ সালে তিনি কবি Ted Hughes কে বিয়ে করেন। ফ্রিডা এবং নিকোলাস নামে তাঁদের দুই সন্তান রয়েছে।সিলভিয়া প্লাথের অধিকাংশ কবিতা স্বীকারোক্তিমূলক, যে কারণে তাঁকে ‘কনফেশনাল কবি’ বলা হয়। মৃত্যুর আগে অনেকদিন ধরে তিনি বিষণ্নতায় ভুগেছিলেন। তাঁর ‘ড্যাডি’ শিরোনামের কবিতাটি বহুল পঠিত। বলা হয়, এটা তাঁর অন্যতম সেরা কবিতা। 

সিলভিয়া মাত্র ২০ বছর বয়সে একবার আত্মহত্যার ব্যর্থ প্রয়াস চালান। কিন্তু সে যাত্রা তিনি রক্ষা পান। কিন্তু দ্বিতীয়বার তাঁর উদ্দেশ্য সফল হয়। তখন সদ্য ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে স্বামী টেড হিউজের সঙ্গে। এ ঘটনায় প্রচণ্ড মানসিক আঘাত পান তিনি। সন্তানদের প্রতি অগাধ ভালোবাসা ছিল তাঁর। তাই কৌশলে আত্মহত্যার সময় গ্যাসের চুলা ভেজা তোয়ালে দিয়ে ঢেকে রেখেছিলেন, যাতে বাইরে আগুন না যেতে পারে। এভাবে প্রস্তুতি নেয়ার পর তিনি ধীরে ধীরে মাথা এগিয়ে দেন গ্যাসের চুলার দিকে। গ্যাস প্রবাহের গতি বাড়িয়ে দেন নিজ হাতে। দপ করে আগুন জ্বলে উঠলে মুহূর্তেই মাথায় আগুন ধরে যায়। এভাবেই আগুনে পুড়ে মারা যান তিনি। সিলভিয়া প্লাথ ১৯৮২ খ্রিস্টাব্দে মরণোত্তর পুলিৎজার পুরস্কার পান। 

সিলভিয়া প্লাথের লেখা শতাব্দীর অন্যতম সেরা উপন্যাস The Bell Jar এ মৃত্যুর প্রতি প্লাথের অনুরাগের চিত্র ফুটে উঠেছে। তিনি সেখানে লিখেছেন- 

“Death must be so beautiful. To lie in the soft brown earth, with the grasses waving above one’s head, and listen to silence. To have no yesterday, and no to-morrow. To forget time, to forgive life, to be at peace.”

২/ জন বেরিম্যান, (১৯১৪-১৯৭২)

“We must travel in the direction of our fear.”

একজন চমৎকার লেখক বেরিম্যান। জন বেরিম্যান Modernism একজন অন্যতম কবি এবং বোদ্ধা। সিলভিয়া প্লাথের মত তিনিও একজন কনফেশনাল পোয়েট। আজীবন বিষন্নতায় ভুগেছেন। The Dream Songs তাঁর প্রধান কবিতা সংকলন, যেখানে ৩৮৫ টি কবিতা রয়েছে। কাব্যগ্রন্থটি বিংশশতাব্দির অন্যতম সেরা কাব্যগ্রন্থের মর্যযাদা পায়। ১৯৭২ সালে ওয়াশিংটন এভিনিউ ব্রিজ থেকে নব্বই ফুট নিচে বরফজমা Mississippi নদীতে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছিলেন।

৩/ ভার্জিনিয়া উলফ, (১৮৪২-১৯৪১)

“I thought how unpleasant it is to be locked out; and I thought how it is worse, perhaps, to be locked in.”

পুরো নাম- এ্যাডেলাইন ভার্জিনিয়া উলফ, ঊনিশ শতকের ব্রিটিশ আধুনিকতাবাদী লেখকদের মধ্যে তিনি ছিলেন প্রধানতম। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পূর্ব পর্যন্ত তিনি লন্ডন লিটারেসি সোসাইটি ’র গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ- মিসেস ডাল্লাওয়ে (১৯২৫), টু দ্যা লাইটহাউজ (১৯২৭), ওরলান্ডো (১৯২৮)। তাঁর রচিত ভাষন সংকলন A Room of One's Own (১৯২৯) বইটিতে তাঁর একটি বিখ্যাত উক্তি রয়েছে- “নারী যখন ফিকশন লেখে তখন তার একটি কক্ষ আর কিছু অর্থ খুব প্রয়োজন।” উল্ফ বেশ কয়েকবার মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। তাঁর শেষ উপন্যাসের (Between the Acts) পাণ্ডুলিপিটি তৈরি হওয়ার পরপরই তিনি আত্মহত্যা করেন। ১৯৪১ সালের ২৮ মার্চ কোটের সব পকেটে পাথর ভরে ওউস নদীতে ঝাঁপ দিয়ে ডুবে যান। ১৮ এপ্রিল নদীতে তাঁর দেহাবশেষ পাওয়া যায়।

মারা যাওয়ার পূর্বে তিনি তাঁর স্বামীর উদ্দেশ্যে একটি সুইসাইড নোট লিখে রেখে যান-

[Dearest, I feel certain that I am going mad again. I feel we can’t go through another of those terrible times. And I shan’t recover this time. I begin to hear voices, and I can’t concentrate. So I am doing what seems the best thing to do. You have given me the greatest possible happiness. You have been in every way all that anyone could be. I don’t think two people could have been happier ’til this terrible disease came. I can’t fight any longer. I know that I am spoiling your life, that without me you could work. And you will I know. You see I can’t even write this properly. I can’t read. What I want to say is I owe all the happiness of my life to you. You have been entirely patient with me and incredibly good. I want to say that – everybody knows it. If anybody could have saved me it would have been you. Everything has gone from me but the certainty of your goodness. I can’t go on spoiling your life any longer. I don’t think two people could have been happier than we have been.] 

৪/ ডেভিড ফস্টার ওয়ালেস, (১৯৬২-২০০৮)

উত্তর আধুনিক যুগের একজন লেখক ডেভিড ফস্টার ওয়ালেস। বিখ্যাত উপন্যাস Infinite Jest এর জন্য আমেরিকান এ উপন্যাসিক সর্বাধিক পরিচিত। তিনি ছিলেন সাহিত্যের অধ্যাপক; এবং উপন্যাস লেখার পাশাপাশি তিনি একজন ছোটগল্প লেখক এবং প্রাবান্ধিক ছিলেন। 

ওয়ালেস বিষন্নতায় ভুগছিলেন, বহুদিন ধরে মেডিকেশনের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে অবশেষে ২০০৮ সালে নিজ রুমে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। মৃত্যুর পরে তাঁর একটি পাণ্ডুলিপি পাওয়া যায়, যেটি The Pale King নামে পরে প্রকাশিত হয়।

“The so-called ‘psychotically depressed’ person who tries to kill herself doesn’t do so out of quote ‘hopelessness’ or any abstract conviction that life’s assets and debits do not square. And surely not because death seems suddenly appealing. The person in whom Its invisible agony reaches a certain unendurable level will kill herself the same way a trapped person will eventually jump from the window of a burning high-rise. Make no mistake about people who leap from burning windows. Their terror of falling from a great height is still just as great as it would be for you or me standing speculatively at the same window just checking out the view; i.e. the fear of falling remains a constant. The variable here is the other terror, the fire’s flames: when the flames get close enough, falling to death becomes the slightly less terrible of two terrors. It’s not desiring the fall; it’s terror of the flames. And yet nobody down on the sidewalk, looking up and yelling ‘Don’t!’ and ‘Hang on!’, can understand the jump. Not really. You’d have to have personally been trapped and felt flames to really understand a terror way beyond falling.”

৫/ সেনেকা, (খ্রিস্টপূর্ব ৪ – ৬৫ খ্রিস্টাব্দ) 

সেনেকা ছিলেন একজন রোমান দার্শনিক, রাষ্ট্রনায়ক এবং নাট্যকার। পরবর্তীতে তিনি সম্রাট Nero ’র উপদেষ্টা হয়েছিলেন। নিরোই তাকে ষড়যন্ত্রী হিসেবে অাখ্যায়িত করে আত্মহত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেনেকা নির্দেষ পালন করেন। খুব ভয়ংকরভাবে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। শরীরের বিভিন্ন স্থান কেটে, রক্ত ঝরিয়ে মৃত্যুবরণ করতে চেয়েছিলেন, সেটি না হওয়ায়, পয়জন পুশ করেন, তাতেও মৃত্যু নিশ্চিত না হওয়ায় গরম জলের মধ্যে নিজেকে রেখে মৃত্যু নিশ্চিত করেন।

“Death: There’s nothing bad about it at all except the thing that comes before it — the fear of it.” (Letters from a Stoic)

। 

৬/ আর্নেস্ট হেমিংওয়ে, (১৮৯৯-১৯৬১)

“Every man’s life ends the same way. It is only the details of how he lived and how he died that distinguish one man from another.”

‘দ্যা ওল্ড ম্যান এন্ড দ্যা সি’ উপন্যাসের কল্যাণে আমাদের দেশেও লেখক বেশ পরিচিত, অন্তত পড়ুয়াদের কাছে। বিংশ শতাব্দির অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাসিক। For Whom the Bell Tolls, A Farewell to Arms, The Old Man and the Sea তাঁর অন্যতম সেরা সৃষ্টি।

আফ্রিকায় বিমান দুর্ঘটনরায় পড়ে তিনি শারীরিক এবং মানসিকভাবে আহত হয়েছিলেন। মৃত্যুর কিছুদিন পূর্বে লেখকের শরীরের অবস্থার মারাত্মক অবনতি হয়েছিল, তিনি চিকিৎসা আর মেনে নিতে পারছিলেন না। সবকিছু থেকে মুক্তি পেতে শর্টগানের গুলিতে আত্মহত্যা করেছিলেন। সুইসাইড নোটে তিনি লিখে যান- 

"What these shock doctors don’t know is about writers…and what they do to them…What is the sense of ruining my head and erasing my memory, which is my capital, and putting me out of business? It was a brilliant cure but we lost the patient.”

৭/ হান্টার স্টকটোন থমসন (১৯৩৭-২০০৫)

“Life should not be a journey to the grave with the intention of arriving safely in a pretty and well preserved body, but rather to skid in broadside in a cloud of smoke, thoroughly used up, totally worn out, and loudly proclaiming “Wow! What a Ride!”

হান্টার থমসন ছিলেন একজন আমেরিকান লেখক এবং সাংবাদিক। Hell's Angels: The Strange and Terrible Saga of the Outlaw Motorcycle Gangs (1967) ’র জন্য আন্তর্জাতিক খ্যাতি পান। 

হেমিংওয়ের মত তিনিও মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেছিলেন। মৃত্যুর আগে তিনি নিচের সুইসাইড নোটটি লিখে গিয়েছিলেন-

“No More Games. No More Bombs. No More Walking. No More Fun. No More Swimming. 67. That is 17 years past 50. 17 more than I needed or wanted. Boring. I am always bitchy. No Fun — for anybody. 67. You are getting Greedy. Act your old age. Relax — This won’t hurt.” 

৮/ এনি সেক্সটন,(১৯২৮-১৯৭৪)

“As for me, I am a watercolor.

I wash off.”

(“For My Lover, Returning to his Wife”)

আমেরিকান লেখক এনি সেক্সটন উত্তর আধুনিকতার একজন অন্যতম কবি। তিনিও একজন কনফেশনাল পোয়েট। Live or Die কাব্যগ্রন্থের জন্য ১৯৬৭ সালে তিনি নোবেল পুরস্কার পান।The Awful Rowing Toward God পাণ্ডুলিপিটি দিয়ে এনি একজন রিপোর্টার কে সেটি তাঁর মৃত্যুর আগে প্রকাশ না করার জন্য বলেছিলেন। ১৯৭৪ সালে তিনি পাণ্ডুলিপিটি নিয়ে কবি Maxine Kumin ’র সাথে দেখা করে বইটি ১৯৭৫ ’র মার্চে প্রকাশ করতে বলেছিলেন। এরপর তিনি বাসায় ফিরে মায়ের উলের কোটটা পরে নেন, এক বোতল ভোদকা খেয়ে গাড়ির গ্যারেজে গিয়ে ইঞ্জিন চালিয়ে দিয়ে কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসে আত্মহত্যা করেছিলেন। 

৯/ হার্ট ক্রেন, (১৮৯৯ – ১৯৩২)

“And so it was I entered the broken world

To trace the visionary company of love, its voice

An instant in the wind (I know not whither hurled)

But not for long to hold each desperate choice.”

(“The Broken Tower”)

ক্রেন আধুনিক যুগের একজন আলোচিত আমেরিকান কবি। ১৯৩২ সালের দিকে তিনি খুব বেশি পানাসক্ত হয়ে পড়েছিলেন, এ সময় তিনি কিছুদিন মেক্সিকোতে ছিলেন। মেক্সিকো থেকে নিউইয়র্ক ফেরার পথে মেক্সিকো উপসাগরে তিনি নিজেকে নিক্ষেপ করে আত্মহত্যা করেন। এ সময় তিনি চিৎকার করে বলতে থাকেন-

“Goodbye, everybody!”

১০/ কারিন বোয়ে, Karin Boye (১৯০০-১৯৪১)

কারিন বোয়ে একজন সুইডিশ কবি ও উপন্যাসিক। Clouds তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ। বোয়ে টি.এস. এলিয়টের কবিতা সুইডিশ ভাষায় অনুবাদ করেছিলেন। বোয়ে মূলত তাঁর "Yes, of course it hurts" (Swedish: Ja visst gör det ont) এবং "In motion" (I rörelse) from her collections of poems "The Hearths" (Härdarna), 1927, and "For the sake of the tree" (För trädets skull), 1935 ‘র জন্য বিখ্যাত। 

Crisis (Kris) উপন্যাসে তিনি ধর্মের দূরাবস্থা এবং লেসবিয়ানিজম নিয়ে লিখেছেন। Kallocain তাঁর আরেকটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস, যেখানে তৎকালীন জার্মানি এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের চিত্র ফুটে উঠেছে। 

মাত্রাতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খেয়ে মৃত্যুবরণ করেছিলেন বোয়ে। নিকবর্তী একটি পাহাড়ে পাথরের উপর তাঁর মৃতদেহ পড়েছিল। 

১১/ জুকিয়ো মিশিমা, Yukio Mishima (১৯২৫-১৯৭০)

“If we value so highly the dignity of life, how can we not also value the dignity of death? No death may be called futile.”

বিংশ শতাব্দির জাপানের অন্যতম একজন প্রভাবশালী সাহিত্যিক জুকিয়ো মিশিমা। তিনি একজন কবি, নাট্যকার, অভিনেতা এবং চিত্র পরিচালক। ১৯৬৮ সালে তিনি নোবেল সাহিত্য পুরস্কারের জন্য মনোনিত হয়েছিলেন, যেটি শেষপর্যন্ত তাঁরেই স্বদেশী Yasunari Kawabata পেয়েছিলেন। Utsukushii hoshi, The Temple of the Golden Pavilion, Utage no ato তাঁর বিখ্যাত কয়েকটি গ্রন্থ। 

Seppuku ’র মাধ্যমে জুকিয়ো মিশিমা আত্মহুতি দিয়েছিলেন।

১২/  ইউসুনারি কাওবাতা, Yasunari Kawabata (১৮৯৯ - ১৯৭২) 

সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী প্রথম জাপানী তিনি। মৃত্যুর চার বছর পূর্বে ১৯৬৮ সালে তিনি এ পুরস্কারে ভূষিত হন। Snow Country, Thousand Cranes, and The Old Capital নোবেল পুরস্কার পাওয়ার ক্ষেত্রে এই তিনটি উপন্যাস বিশেষ ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করা হয়, যদিও কাবাতা তাঁর সকল সাহিত্যকর্মের উপর নোবেল পুরস্কার পান। 

জাপানের এই প্রভাবশালী লেখক ১৯৭২ সালে গ্যাস টেনে আত্মহত্যা করেন। তবে তাঁর আত্মহত্যা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। অনেকের মতে এটি ছিল একটি দুর্ঘটনা।



Facebook Comments
0 Gmail Comments

-

 
ফেসবুক পাতায়
Support : Visit Page.

সার্বিক অলঙ্করণে প্রিয়দীপ

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

শব্দের মিছিল > English Site best viewed in Google Chrome
Blogger দ্বারা পরিচালিত.
-