বৃহস্পতিবার, আগস্ট ৩১, ২০১৭

রিয়া চক্রবর্তী

sobdermichil | আগস্ট ৩১, ২০১৭ | |
বৈষ্ণবধর্মের চিত্রকলা
আঠের শতক থেকে উনিশ শতকের প্রথম ভাগ পর্যন্ত, এই সময়ে আঁকা ছবির নিদর্শন গ্রাম বাংলায় দুর্লভ। কারণ, এইসময়ে বাংলার চিত্রকলার বিকাশ আর বিবর্তন ঘটেছিল প্রধানত দুটি শহরকে ঘিরেই। নবাবদের রাজধানী মুর্শিদাবাদ আর ইংরেজদের রাজধানী কলকাতা।তখন দেশের নানাভাবে রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়। গ্রামের মানুষের পক্ষে তাদের পরম্পরাগত কলাশিল্পের চর্চা ব্যহত হচ্ছিলো। দুটি কারণ খুব সহজেই চিহ্নিত করা যায়, একটি সামাজিক আর অপরটি অর্থনৈতিক। সে সময় সমাজ একটা বিরাট ভূমিকা পালন করতো জন জীবনে। আর অর্থনৈতিক পরিবর্তনের মুখে গ্রামের সমৃদ্ধি দ্রুত লোপ পেতে থাকার ফলে সেখানকার মানুষের পক্ষে কলাশিল্পের পৃষ্ঠপোষকতা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। তার ফলেই সে সময় শিল্পীরা যতটুকু এঁকেছিলেন তাও আঁকতে বাধ্য হয়েছিলেন অস্থায়ী জমিতে। তাই তাঁদের অধিকাংশ কাজই প্রাকৃতিক দুর্যোগে নষ্ট হয়ে গেছে।

সতের শতক বা তার পরবর্তী দুই শতকেও বাংলার চিত্রকলার প্রধান অনুপ্রেরনা ছিলো চৈতন্যদেব ও তাঁর বৈষ্ণবধর্ম। মধ্যযুগের বাঙালি তাঁর দ্বারা কতখানি প্রভাবিত হয়েছিল তার নিদর্শন পাওয়া যায় সেই সময়ের কিছু চিত্রকলার সাক্ষ্য থেকে। গ্রামের উচ্চ, নীচ, ধনী, দরিদ্র, জ্ঞানী, মূর্খ, সকলের জীবনে তাঁর 'প্রেমভক্তি'র মন্ত্রে সজীবিত ও রসসিক্ত হয়ে উঠেছিল। আর সেই কারণেই সংগীতে,সাহিত্যে,ও রূপকলায় বন্দিত হয়েছে তাঁর জীবনী ও ধর্ম। এইসব ছবি কখনো আঁকা হয়েছে পোড়া মাটির কাজে, কখনো পটে, কখনো মন্দিরের ভেতরে, কখনো আমার মুঘল পরম্পরায় মুর্শিবাদ শৈলীতে। আবার কখনো কখনো রাজস্থানী চিত্রকলার ছাপও স্পষ্ট। দীনেশচন্দ্র সেন তাঁর "বৃহৎ বঙ্গ " বইটিতে সপ্তদশ শতকের শেষ থেকে উনিশ শতকের প্রথম দিকের আঁকা সপার্ষদ চৈতন্যদেবের অনেকগুলি ছবি ছেপেছিলেন। এই ছবিগুলো অবশ্যই বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ছিলো। যা কিনা কাগজের ওপরে জলরঙে আঁকা নবদ্বীপে সপার্ষদ চৈতন্যদেবের নগর সংকীর্তনের ছবি। শোনা যায় এক সময়ে ছবিটি শ্রীনিবাস আচার্যের ঘরে ছিলো, পরে সেটি গুরুর উপহার হিসেবে আড়িয়াদহ মল্লিকদের কোন এক পুর্বপুরুষ লাভ করেন। শিল্পীর ভাবনায় ছবিটি বিশেষত রাজস্থানের চিত্রকলার অনুরূপ রেখায় চরিত্রগুলো প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে। আবার নৈসর্গের ক্ষেত্রে, যেমন দূরবর্তী প্রাসাদ, আকাশের মেঘ, সম্মুখবর্তী নদী, তার জলধারা, তটভূমি এইসব রূপায়নে শিল্পী সচেতন ভাবেই পাশ্চাত্য চিত্রিরীতির পরিপ্রেক্ষিতে ও আলোছায়ার সাহায্য নিয়েছেন। সপার্ষদ চৈতন্যদেব ও তাঁর নগর সংকীর্তনের প্রভাবে হৃতচিত্ত মাঝি, নদীতে স্নানরতা রমনীদের যে বাস্তবতাবোধে উপস্থিত করা হয়েছে তা অবশ্যই প্রশংসনীয়। শ্রীরামকৃষ্ণদেব আড়িয়াদহের মল্লিকবাড়িতে গিয়ে প্রায়ই ছবিটি দেখে আসতেন। তার কারণ হল প্রাণবন্ত উপস্থাপনা।

দীনেশ চন্দ্র আঠের শতকের মধ্যকাল পর্যন্ত আঁকা আরও একটি বড় ছবি সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছিলেন।যার বিষয় হল "শ্রীকৃষ্ণের গোবর্ধনগিরি ধারণ ", ছবিটি এঁকেছিলেন তখনকার কলকাতার চাষা- ধোপা পাড়ার শশী কয়াল। এই ছবিটিতেও দেখা যায় রাজস্থানী শৈলীর আদল আর নিসর্গের ক্ষেত্রে ব্রিটিশ জলরঙের ছাপ। এছাড়া তিনি তাঁর "বৃহৎ বঙ্গে " ২৪ পরগণা জেলা থেকে সংগ্রহ করা বৈষ্ণব গোস্বামী ও আচার্যদের অনেকগুলি আদর্শচিত্র প্রকাশ করেছেন। এই ছবিগুলো দেখে সহজেই অনুমান করা যায় যে বৈষ্ণব ধর্মচর্চায় সেইসময় চিত্রকলার স্থান কতখানি গুরুত্বপূর্ণ ছিলো।সতের শতকের শেষের দিক থেকে শুরু করে উনিশ শতকের মধ্যকাল পর্যন্ত, এই সময়ে প্রধানত তিনটে চিত্রিত কাগজের পুথির পরিচয় পাওয়া যায়, যা তখনকার চিত্রকলার ধারক। তিনটি পুথির মধ্যে প্রাচীনতম পুথির হল - ভগবতমহাপুরানের দশম স্কন্ধ।সরীসকুমার সরস্বতীর ব্যক্তিগত সংগ্রহের রাখা এই পুথিটির রচনাকাল ১৬৮৯ থেকে ১৬৯০ পর্যন্ত। পুথিটির ভাষা সংস্কৃত কিন্তু লিপি বাংলা। যেমন দেখা যায় মধ্যযুগের শেষের দিকে বহু সংস্কৃত পুথির ক্ষেত্রে। ২০৩ পাতার এই পুথিতে পাওয়া গেছে ১৫৮ টি ছবি। পুথিটির উৎপত্তি কোথায় তা জানা না গেলেও ছবিগুলোর শৈলী বিচার করে মনেহয় মেদিনীপুর জেলায় প্রস্তুত। ছবিগুলোর বিষয় ভাগবত বর্ণিত কৃষ্ণলীলা। বর্ণ ও রেখার ব্যবহারের ফলে জানা যায় তখনকার লোকশিল্প পরম্পরার সারল্য। ছবিগুলিতে মানবরূপের ক্ষেত্রে উপস্থাপিত হয়েছে - দেহভাগ সামনাসামনি ও মুখভাগ পাশ থেকে দেখানোর "মধ্যযুগীয় " চিত্ররীতি। ছুঁচালো থুতনি, দীর্ঘ নাক চরিত্রগুলোকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।পুথির কাগজের পাতাগুলো তালপাতার পুথির চেয়ে প্রায় তিনগুন বড় কিন্তু ছবিগুলো আঁকা হয়েছে তালপাতার পুথির ছবির মতোই ছোট। আর যেটা লক্ষনীয় বিষয় তা হল, সাদা কাগজের ওপরে কোনরকম জমি তৈরি না করেই সরাসরি স্বচ্ছ জলরঙে আঁকা। পরম্পরাগত ঘন জলরঙের বদলে স্বচ্ছ জলরঙের এই ব্যবহারের থেকে এমনও মনে করা যেতে পারে যে ব্রিটিশ জলরঙের কৌশল জানার আগেই,বাঙালি শিল্পীদের কেউ কেউ স্বকীয় পদ্ধতিতে স্বচ্ছ জলরঙে ছবি আঁকতে পারতেন।

দ্বিতীয় চিত্রিত পুথিটি হল, তুলসীদাস রচিত "রামচরিতমানস"-এর। এটি রাখা আছে আশুতোষ সংগ্রহশালায়। এবং এটির একটি পূর্ণাঙ্গ ক্যাটালগও প্রকাশিত হয়েছে। পুথিটি লেখা হয়েছিল ১৭৭২ থেকে ১৭৭৬ খ্রীস্টাব্দে মেদিনীপুর জেলার মহিষাদলের রানী জানকীর পৃষ্ঠপোষকতায়। আবধী হিন্দি ভাষার এই রামায়নটি লিখেছিলেন জনৈক ইচ্ছে মিশ্র। এই পুথিটি ২০৩ পাতার, ছবি আছে ১৫৩টি। ছবিগুলো কার আঁকা তা অবশ্য পুথির থেকে জানা যায় না। ভারতীয় অনেক প্রাচীন পুথির থেকে চিত্রকরের নাম এইভাবেই পরম্পরাগত ভাবে উহ্য থেকেই যায়। তবে এই ছবিগুলিও ভগবতমহাপুরাণের ছবির মতোই লোকশিল্পের সারল্যে আঁকা। কিন্তু একটু ভালোভাবে পরীক্ষা করলে দেখা যাবে যে রামচরিতমানসের ছবিগুলো অনেক বেশি ঋজু এবং দৃঢ়বদ্ধ। তার চিত্রায়ন পদ্ধতি অনেকটা জৈন পান্ডুলিপি চিত্রের অনুগামী। তুলির বদলে কালি ও কলমের বহুল ব্যবহার এবং চোখের অন্তরেখাকে প্রায় প্রতিক্ষেত্রেই কান পর্যন্ত টেনে নিয়ে যাওয়ার রীতি পশ্চিম ভারতীয় জৈন মিনিয়েচার চিত্রের সঙ্গে রামচরিতমানসের ছবির সম্বন্ধে স্থাপন করে। তাছাড়া পারিপার্শ্বিক প্রমাণ থেকেও জানা যায়, লিপিকার ইচ্ছে মিশ্রণের মতোই চিত্রকর ও উত্তরপ্রদেশ থেকে মহিষাদল রানী জানকীর উদ্যোগে আনা হয়েছিল। কেননা বাংলায় বসবাস করলেও মহিষাদল রাজবংশের সঙ্গে উত্তরপ্রদেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগ অক্ষুণ্ণ ছিলো। কারণ উত্তরপ্রদেশ ছিলো তাদের আদি নিবাস। রানী জানকি মহিষাদল পরগনায় রামবাগ নামক গ্রামে উত্তরপ্রদেশ ও বিহারে বহু পুজিত রামজিউর মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁরই পৃষ্ঠপোষকতায় রচিত ও চিত্রিত তুলসীদাসের "রামচরিতমানস"এর জন্য লিপিকার ও চিত্রকর যে উত্তরপ্রদেশ থেকেই আনবেন তাতে সন্দেহ নেই।

তৃতীয় পুথিটি জয়দেব রচিত "গীতগোবিন্দ"। এই পুথির চুঁচুড়ার এক প্রাচীন জমিদার পরিবার মন্ডলদের সংগ্রহে ছিলো। পুথিটি সম্পর্কে ১৯৩৪ খ্রীষ্টাব্দে স্টেলা ক্রামরিশকে একটি সচিত্র নিবন্ধ প্রকাশ করে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। পুথিটিতে ৩৭টি চিত্র আছে। পাতায় আয়তকার মধ্যাংশে লিখিত শ্লোকের চারিদিক ঘিরে কখনো চারটে আবার কখনো ছটা ছবি আঁকা হয়েছে। ক্রামরিশ পুথিটির রচনাকাল উনিশ শতক বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি এই "গীতগোবিন্দে"র চিত্রগুলিকে তখনকার কাংড়া শৈলীর কোন এক ধারার চরিত্রলক্ষণ দেখতে পেয়েছেন। তাঁর সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত না হয়েও বলা যায় যে, পুথির ছবিগুলো রাজস্থানী চিত্রকলার পরম্পরাতেই আঁকা। কিন্তু মুঘল শাসনকালে, বিশেষত নবাবী আমলে বাংলদেশের সাথে রাজস্থানের যোগাযোগ যে বৃদ্ধি পেয়েছিল। একথা আমরা নানা দিক থেকেই জানতে পারি। বাড়ি, ঘর নির্মাণের ক্ষেত্রে অনেকাংশেই জয়পুরের কারিগর আনা হতো।মুর্শিদাবাদ জেলার বড় নগরে রানী ভবানী স্থাপিত মন্দিরগুলির অন্যতম 'চার বাংলা '। অষ্টাদশ শতকের এই 'চার বাংলা ' মন্দির সমষ্টির পুর্ব দিকের মন্দিরের গায়ে যে রাধাকৃষ্ণ বিষয়ক চিত্র রূপায়িত আছে তাতেও রাজস্থানী শৈলী লক্ষ্য করা যায়। গীতগোবিন্দের ছবিগুলো এই আদর্শে রচিত। সতের এবং আঠের শতকে বিষ্ণূপুর ও বাঁকুড়ার পোড়ামাটির কাজেও রাজস্থানী চিত্রকলার যে আলংকারিক প্রভাত দেখা গেছে তারই ধারায় গীতগোবিন্দ পুথির ছবিগুলো আঁকা হয়েছে বলে মনে করা খুব একটা অসংগত হবেনা। তবে ছবির আধার এখানে কাগজ এবং পরিসর আরও ক্ষুদ্র। ফলে শিল্পীর অণুচিত্র রচনার দক্ষতাও এখানে অনেকটা স্পষ্ট। ছবিগুলোর রূপনির্মাণ প্রধান রেখানির্ভর, ফলে গীতিধর্মী। নারীর দেহভংগিমায় যে লীলায়িত রূপ দেখতে পাওয়া যায় তাই আবার দেখা যায় বৃক্ষচিত্রেও। আলাদাভাবে ছোট ছোট বর্গক্ষেত্র করে পাখিগুলো আঁকা হয়েছে, তা বাস্তবগুণে ও ভাবসৃষ্টিতে শ্রেষ্ঠ অণুচিত্রের উদাহরণ হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে।

উনিশ শতকের প্রথম দিকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বহড়ুগ্রামে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়ান নন্দকুমার বসু প্রতিষ্ঠিত শ্যামসুন্দরজীর মন্দিরটিতে অনেকগুলি বৈষ্ণবভাবাশ্রিত ভিত্তিচিত্র আঁকা আছে। বৃন্দাবনের গোবিন্দ মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে খ্যাত নন্দকুমার কিছুকাল জয়পুর রাজ্যের দেওয়ান ছিলেন। মথুরা গমনে অসমর্থ বৃদ্ধা মায়ের জন্য এই মন্দিরটি তৈরি করেন। চুনার থেকে পাথর, আর জয়পুর থেকে স্থপতি ও শিল্পী আনা হয়েছিল। মন্দিরলিপি থেকে জানা যায় ১৮২৫ খ্রীষ্টাব্দে পশ্চিম দেশীয় মন্দিরের আদলে শ্যামসুন্দরজীর মন্দিরটি নবকুমার প্রতিষ্ঠা করেন। মন্দিরের সামনের দালানের পুর্ব ও পশ্চিমদিকের দেওয়াল জুড়ে এবং মন্দিরের পাঁচটি প্রবেশপথের ওপরের খিলানে আঁকা ছবিগুলো সরাসরিই দেওয়ালের ওপরে আঁকা হয়েছে। ছবিগুলো যে ভক্তশিল্পী গঙ্গারাম ভাস্করের আঁকা তা দেওয়ালের একটি লিপি থেকেই জানা যায়। 'ভাস্কর ' পদবি আর মধ্যভাগের 'রাম ' থেকে মনে হয় যে তিনি ছিলেন দাঁইহাটের বিখ্যাত ভাস্কর পদবিধারী শিল্পী পরিবারের মানুষ। ছবিগুলোতে আঠেরো শতকের বাংলার চিত্রকলায় রাজস্থানী প্রভাব থাকলেও মুলত বাংলার রূপদৃষ্টিই ফুটে উঠেছে। দরদালানের পশ্চিম ও পুর্ব দেওয়ালে গঙ্গারামের দক্ষতার পরিচয় স্পষ্ট। ছবিগুলো মিনিয়েচার ধর্মী। ছবিগুলোর মধ্যে, ভরত, শত্রুঘ্ন, লক্ষণ, হনুমান,পরিবেষ্টিত রাম সীতা। আবার চৈতন্যদেব, নিত্যানন্দ, অদ্বৈত, হরিদাস, শ্রীবাসের বেড়া সংকীর্তনের দৃশ্যও রয়েছে। মাঝখানের খিলানে গণেশের সামনে সপুত্র ও পুরোহিত সহিত মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা নন্দরামের ছবিটি ঐতিহাসিক কারণে গুরুত্বপূর্ণ। তেমনই চিত্রকর্ম, ধর্মীয় ইতিহাসের দিক দিয়ে উল্লেখযোগ্য হল পুর্ব দেওয়ালের চৈতন্য ষড়ভুজের ছবিটি। এই শতকের প্রথমদিকের আর কোন ভিত্তিচিত্র বাংলায় পাওয়া যায় না। তাই বহড়ুর শ্যামসুন্দরজীর মন্দিরের ছবিগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু দুঃখের বিষয় মোট আটান্নটি ছবির মধ্যে বেশিরভাগ ছবিই নষ্ট হয়ে গেছে।


Facebook Comments
0 Gmail Comments

-

 
Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ,GS WorK । শব্দের মিছিল আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

English Site best viewed in Google Chrome
Blogger দ্বারা পরিচালিত.
-