সোমবার, জুলাই ৩১, ২০১৭

কাজল সেন

sobdermichil | জুলাই ৩১, ২০১৭ |
কাজল সেন  / শর্মিষ্ঠা ঘোষ
৬০তম সঙ্কলনে ‘শব্দের মিছিল’ এর পক্ষ থেকে ‘একমুঠো প্রলাপ’ এ মুখোমুখি হয়েছি বর্ষীয়ান কবি , গল্পকার এবং সম্পাদক কাজল সেন এর । নিজের চেয়ে পরের ঢাক বাজাতেই তিনি পছন্দ করেন বেশি । তাই দীর্ঘ কয়েক দশক সাহিত্য চর্চা করলেও নিজের লেখা প্রকাশের চেয়ে নতুন প্রতিভা খুঁজে এনে তাদের জনসমক্ষে প্রতিষ্ঠা করা এবং লিটিল ম্যাগাজিন সম্পাদনাতেই বেশি আগ্রহী । ‘কালিমাটি পত্রিকা’ বা ‘কালিমাটি অনলাইন’ এর মত জনপ্রিয় ব্লগটিও তার সাক্ষ্য বহন করে । তাঁকে আমরা দেখেছি সমাজ সচেতন সাহিত্যকর্মী হিসেবে । নতুন প্রজন্মের লেখকদের প্রতি স্নেহশীল দাদা হিসেবে । আমাদের জন্য তাঁর এতটা মূল্যবান সময় দেবার জন্য ‘শব্দের মিছিল’ এর পক্ষ থেকে তাঁকে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানাই । 

প্রায় চার দশকের বেশি তোমার সাহিত্য সৃষ্টি এবং সম্পাদনা। এই জার্নিটা একটু বলবে?






চার দশক নয়, বরং বলা ভালো, বিগত পাঁচ দশক ধরে সচেতন ভাবে জড়িয়ে আছি বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রের সঙ্গে। আসলে কী জানিস, জন্মের পরে নিজেকে এবং পারিপার্শ্বিকতাকে বোঝার মতো যখন প্রাথমিক জ্ঞান আমার হয়েছে, তখন থেকেই শুনে আসছি আমার দাদুর (ঠাকুরদাদা) কথা, যিনি একাধারে সাহিত্যিক ও সম্পাদক ছিলেন। আর বলতে পারিস, ঠিক তখন থেকেই হয়তো আমার ভবিষ্যতও নির্ধারিত হয়ে গেছে, জীবনে আর যা কিছুই করি না কেন, সাহিত্যের কাজ আমাকে করতেই হবে। আর তাই হয়তো সেই নিতান্ত বাচ্চা বয়সে আমি একটি হাতে লেখা পত্রিকা সম্পাদনা ও প্রকাশ করার জন্য একটা নোটখাতা যোগাড় করেছিলাম। তবে অনেক অনুরোধ করেও কোনো লেখা সংগ্রহ করতে না পেরে পত্রিকা প্রকাশে ইতিও টেনেছিলাম। আরও একটু বড় হয়ে নিজের খেয়ালেই লেখালেখি শুরু করেছিলাম এবং যখন আমার বয়স বছর পনেরো তখন আমার লেখা একটি গল্প প্রথম মুদ্রিত হয়ে প্রকাশিত হয়েছিল জামশেদপুরের বেঙ্গল ক্লাবের সাহিত্য পত্রিকায়। এখন আমার বয়স ৬৫+ আর সেই হিসেবে সাহিত্যচর্চার পঞ্চাশ বছর পূর্ণ করেছি এবছরই। তবে পত্রিকা সম্পাদনার সূচনা হয়েছিল আরও বছর দুয়েক পরে। ‘পথিকৃৎ’ নামে একটি হাতে লেখা পত্রিকা সম্পাদনা করেছিলাম আমার ইস্কুল ও কলেজের বন্ধুদের সহযোগিতায়। আর প্রথম যে মুদ্রিত পত্রিকাটিসম্পাদনা করেছিলাম তার নাম ছিল ‘সারস্বত’। আর তারপর সেই যে ‘কালিমাটি’ পত্রিকা সম্পাদনা ও প্রকাশ শুরু করলাম ১৯৭৮ সালে, তা আজও জীবিত আছে। এই দীর্ঘ ৩৯ বছরে প্রকাশিত হয়েছে ১০৩টি সংখ্যা। এবছরই প্রকাশিত হবে ১০৪তম সংখ্যা। এছাড়া ‘কালিমাটি প্রকাশন’ থেকে ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে ২৮টি বই। কিন্তু আমি তো লিখি কম, প্রকাশ করি আরও কম। তাই এত বছরে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় লেখালেখি করলেও লেখার ভান্ডার বিশাল নয়। তবে লেখার খিদে বা তাগিদ এখনও আছে, সেটা অনুভব করি, আর তাই আমার লেখার কলম যে সচলই থাকবে, এই ব্যাপারে আমি নিশ্চিত।

পেশা অধ্যাপনা । তোমার সাহিত্য সৃষ্টি কোনভাবে প্রভাবিত হয়েছে পেশার দ্বারা?






আমি সম্প্রতি আমার পেশা থেকে অবসর গ্রহণ করেছি। পেশা ছিল অধ্যাপনা। বিষয় – বাংলা ভাষা ও সাহিত্য। তবে এই পেশায় আসার আগে আমি আরও কিছু অন্য পেশাতেও নিযুক্ত ছিলাম। আসলে আমি ইস্কুলে ও কলেজে বিজ্ঞানের ছাত্র ছিলাম। আমি টাটার refractories কোম্পানিতে সিরামিস্ট কেমিস্টের কাজও করেছি বেশ কিছুদিন। কিন্তু তারপর সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করার পর পেশা বদল করে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপনা শুরু করি। এই পেশা আমাকে অবশ্যই সাহায্য করেছে সাহিত্য সৃজনে। তবে কতটা প্রভাব ফেলেছে সাহিত্য সৃষ্টিতে, তা আমি নয়, বরং অন্যরা বলতে পারবেন। আমি শুধু এটুকুই বলতে পারি, ক্লাসে পড়ানোর সময় আমি পুরোপুরি ‘এক্যাডেমিক’ থাকার চেষ্টা করেছি, আর সাহিত্য সৃষ্টি ও পত্রিকা সম্পাদনার ক্ষেত্রে নিতান্তই ‘ননএক্যাডেমিক’।

 'কালিমাটি অনলাইন'নামকরণের পেছনে কোনো গল্প আছে? এই ব্লগের জন্ম কবে? কাদের নিয়ে?






জামশেদপুর শহর এবং টাটা স্টিল কোম্পানির শতবর্ষ পেরিয়ে গেছে। এই কোম্পানির মূল প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন জামশেদজী নসরওনজী টাটা। তাঁরই নামে এই শহরের নাম রাখা হয়েছিল জামশেদপুর এবং রেলওয়ে স্টেশনের নাম টাটানগর। কিন্তু তারও আগে যখন কোম্পানি প্রতিষ্ঠা হয়নি তখনও এই রেলওয়ে স্টেশন ছিল এবং সেই রেলওয়ে স্টেশন ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নাম ছিল কালিমাটি। আর কোম্পানি যে জায়গায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল সেই জায়গার নাম সাকচি। আজ থেকে ঊনচল্লিশ বছর আগে যখন আমি একটি সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক পত্রিকা সম্পাদনা ও প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, তখন সেই পত্রিকার নামকরণ করেছিলাম ‘কালিমাটি’। আর পরবর্তী সময়ে অর্থাৎ ‘সাইবার’ যুগে এসে যখন অনলাইন পত্রিকা প্রকাশের কথা মাথায় আসে, তখন কবি ও গদ্যকার অনুপম মুখোপাধ্যায়ের সহযোগিতায় শুরু করি ‘কবিতার কালিমাটি’ ব্লগজিন। আর তার এক বছর পরেই আরও একটি ব্লগজিন ‘কালিমাটির ঝুরোগল্প’। এই দুটি ব্লগজিন পাশাপাশি কিছুদিন চলার পর একটি নতুন ব্লগজিন শুরু করি ‘কালিমাটি অনলাইন’। ‘কবিতার কালিমাটি’ ও ‘কালিমাটির ঝুরোগল্প’ এই নতুন ব্লগজিনের অন্তর্ভুক্ত হয়। বলা বাহুল্য, ‘কালিমাটি’ মুদ্রিত পত্রিকা ও ‘কালিমাটি অনলাইন’ ব্লগজিনের জন্য যাঁদের অকৃত্রিম শুভেচ্ছা, ভালোবাসা ও সহযোগিতা পেয়েছি তাঁদের নামের তালিকা এত দীর্ঘ যে, এখানে তাঁদের নামোল্লেখ থেকে বিরত থাকলাম। শুধু এটুকুই বলতে পারি, তাঁরা আমার পাশে না থাকলে আমি কিছুই করতে পারতাম না। এইসঙ্গে তোর প্রশ্নের উত্তরে জানিয়ে রাখি ‘কালিমাটি’ মুদ্রিত পত্রিকার প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৭৮ সালের এপ্রিল মাসে, ‘কবিতার কালিমাটি’র প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছিল ২০১১ সালের জানুয়ারী মাসে, ‘কালিমাটির ঝুরোগল্প’র প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছিল ২০১২ সালের মার্চ মাসে এবং ‘কালিমাটি অনলাইন’এর প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছিল ২০১৩ সালের মার্চ মাসে। 

‘ঝুরোগল্প’র পর ‘ঝুরোকবিতা’ সংকলন। অণুপরিবারে বেড়ে ওঠা জেট যুগের মানুষগুলোর নিয়তিরই কি প্রতিফলন?





‘ঝুরো’ ভাবনাটা আমার মাথায় খেলা করছিল বেশ কিছুদিন যাবৎ। তবে তখনও ‘ঝুরো’ শব্দটা নিয়ে আমি কিছুই ভাবিনি। এখানে একটা কথা বলি, আমি জীবনে আশ্চর্য দুটি মানুষের স্নেহ ও সান্নিধ্য পেয়েছিলাম, যাঁরা আমার সাহিত্য ভাবনাকে সম্পূর্ণ নতুন খাতে বা ধারায় বইয়ে দিয়েছিলেন। এঁরা আজ দুজনেই প্রয়াত – স্বদেশ সেন ও সমীর রায়চৌধুরী। এই দুই স্মরণীয় সাহিত্যব্যক্তিত্বের আশীর্বাদ আমার মাথায় আছে বলেই আমি আমার সাধ্যমতো নতুন কিছু করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। একদিন স্বদেশদা কথায় কথায় আমাকে বলেছিলেন, দেখো কাজল, প্রচলিত ধারায় তুমি কেমন লিখছ বা কতটা ভালো লিখছ, তা কিন্তু বিচার্য নয়, বরং তুমি নতুন কিছু সৃষ্টি করতে পারছ কিনা সেটাই আসল ব্যাপার। স্বদেশদা আমাকে কথাটা বলেছিলেন কবিতা লেখার পরিপ্রেক্ষিতে। কিন্তু তাঁর এই কথাটাই আমার সাহিত্য জীবনে ‘অমোঘ বাণী’র মতোই আমাকে আলোড়িত করে চলেছে। আর হয়তো ঠিক এখান থেকেই আমার ‘ঝুরো’ ভাবনাটা মাথার মধ্যে পাক খেতে লাগল। আমি সমীরদার সঙ্গে আমার যাবতীয় চিন্তা ভাবনা শেয়ার করলাম। সমীরদা আমাকে উৎসাহিত করলেন এবং এই নতুন আঙ্গিক ও ভাবনার তিনিই নামকরণ করলেন ‘ঝুরোগল্প’। এখন তো ঝুরোগল্প বাংলা সাহিত্যে একটা স্বতন্ত্র জায়গা করে নিয়েছে। অনেকেই ঝুরোগল্প লিখছেন। ঝুরোগল্পের সংকলন প্রকাশিত হয়েছে। তবে ঝুরোগল্পের প্রাসঙ্গিকতায় আমি যে ‘ঝুরোকবিতা’ লেখা শুরু করেছি, তা এখনও পর্যন্ত আর কেউ লেখেননি। সমীরাদার লেখার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন। 

এবার তোর প্রশ্নের উত্তরে বলি, অণুপরিবারে বেড়ে ওঠা জেট যুগের মানুষদের নিয়তির প্রাসঙ্গিকতায় ‘ঝুরো’ ভাবনা আমার মাথায় আসেনি। বরং ভাবনাটা এসেছে এই জগত ও জীবনের সামগ্রীক পর্যবেক্ষণের সূত্র ধরে। আমি আদৌ নতুন কিছু বলছি না, একথা তোরা সবাই জানিস যে, যে কোনো মানুষের জীবন মানে সেজন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত যত দিন, ঘন্টা, মিনিট, সেকেন্ড... অতিবাহিত করেছে, তার যোগফল মাত্র। এবং এই প্রতিটি একক সময়ে সে অসংখ্য ঘটনা, পরিবেশ, পরিস্থিতি, চিন্তা ভাবনা, মানসিকতার মুখোমুখি হয়েছে। এইসব এক ঘটনার সঙ্গে অন্যান্য ঘটনার, এক পরিস্থিতির সঙ্গে অন্যান্য পরিস্থিতির, এক মানসিকতার সঙ্গে অন্যান্য মানসিকতার কোনো সম্পর্ক থাকতে পারে, আবার না থাকতেও পারে। অর্থাৎ বিচ্ছিন্নতা থাকতেই পারে। আর এই বিচ্ছিন্নতার কারণেই তার সেই তথাকথিত জীবনটা অসংখ্য অসম্পূর্ণতার সমষ্টি মাত্র। অসংগতি তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। সুতরাং এই প্রেক্ষাপটের মুখোমুখি হয়ে যদি তার সেই তথাকথিত জীবনের খন্ডাংশগুলিকে উপজীব্য করে সাহিত্য বা শিল্প সৃষ্টি করতে কেউ আগ্রহী হন, তাহলে তাকে সেই অসম্পূর্ণতাকেই মেলে ধরতে হবে। কোনো নির্দিষ্ট পরিণতিতে পৌঁছানো আদৌ সম্ভব নয়। সেই লেখা বা সৃজনটি হবে ‘ওপেন এন্ডেড’। ঝুরো অর্থাৎ ঝরে পড়া। এক্ষেত্রে সম্পূর্ণতা বা পরিণতি টানতে গেলে তা হবে কৃত্রিম ও অবাস্তব। এই প্রসঙ্গে আর একটা কথা বলি, অনেকেই ‘ঝুরোগল্প’র সঙ্গে ‘অণুগল্প’কে গুলিয়ে ফেলছেন। এই দুটি গল্পের ফর্ম ও ফরম্যাট কিন্তু একেবারেই আলাদা। চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যও আলাদা আলাদা। আশাকরি সংক্ষেপে হলেও বিষয়টা বোঝাতে পেরেছি। 

‘কালিমাটি’ পত্রিকা সবসময় বিষয়ভিত্তিক। লিটিল ম্যাগাজিনেরঅলাভজনক বাজারে টিকে থাকার সমকালীন চাহিদা, নাকি প্রাসঙ্গিক অথচ প্রকাশ্যে কম আলোচিত বিষয়ে আলোকপাতের তাগিদ?





‘কালিমাটি’ পত্রিকা সব সময় বিষয়ভিত্তিক! না তো! তোকে জানাই ‘কালিমাটি’ পত্রিকার এখনও পর্যন্ত ১০৩টি সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছে। প্রথম সংখ্যা থেকে শুরু করে ১০০তম সংখ্যা পর্যন্ত সাধারণ সংখ্যা রূপেই প্রকাশিত হয়েছে। মানে প্রবন্ধ, নিবন্ধ, আলোচনা, সমালোচনা, গল্প, কবিতা, চিঠিপত্র – এইসব। এর মধ্যে শুধু চারটি সংখ্যা বিশেষ সংখ্যা রূপে প্রকাশিত হয়েছিল – চিত্রাঙ্গদাকাব্য শতবর্ষ সংখ্যা, জামশেদপুরে চলচ্চিত্রচর্চা সংখ্যা, স্বদেশ সেন সংখ্যা ও সমীর রায়চৌধুরী সংখ্যা। শততম সংখ্যা প্রকাশের পর আমরা ঠিক করি এবার থেকে বছরে একাধিক নয়, বরং একটি মাত্র সংখ্যা প্রকাশ করব। আর প্রতিটি সংখ্যাই হবে বিশেষ সংখ্যা। ইতিমধ্যে আমরা যে তিনটি সংখ্যা প্রকাশ করেছি তা হলো পরকীয়া সংখ্যা, সমকামিতা ও রূপান্তরকামিতা সংখ্যা, অতিপ্রাকৃত সংখ্যা। তুই বুঝতেই পারছিস, আমরা এমন কিছু বিষয় বেছে নিচ্ছি যে বিষয়ে হয়তো এর আগে কাজ কিছু হয়েছে, কিন্তু আমরা নিজেদের মতো করে আবার কাজ করছি। এবং প্রত্যেকটা কাজই গবেষণামূলক। প্রবন্ধ নিবন্ধের পাশাপাশি রাখছি গল্প। সেইসব গল্পেও একই অন্বেষণ। তবে তুই যে বললি, লিটল ম্যাগাজিনের অলাভজনক বাজারে টিকে থাকার ব্যাপারটা, তার উত্তরে বলি, বাজারের কথা চিন্তা করে পত্রিকা সম্পাদনা করছি না ঠিকই,কিন্তু বাজারে যা আসে সবই তো পণ্য। আর পণ্য যখন, তার বিক্রির ব্যাপারটাও থাকে। পত্রিকা বিক্রি হওয়া খুব জরুরী। আর বেশি বিক্রি মানেই বেশি পাঠকের কাছে পৌঁছে যাওয়া। বিশেষত আমরা তো শুধুমাত্র পাঠকদের মনোরঞ্জনের জন্য পত্রিকা প্রকাশ করছি না, বরং তার মধ্যে এমন কিছুর সমাবেশ ঘটাতে চেষ্টা করছি, যাতে তা সমকালকে অতিক্রম করেও যেন প্রাসঙ্গিক থাকে এবং ভবিষ্যতের পাঠকদের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হয়। 

সম্পাদনা নাকি মৌলিক সাহিত্যসৃষ্টি, কোনটা তোমার প্রথম পছন্দ? তোমার মৌলিকগ্রন্থ এখন পর্যন্ত ক’টি এবং কি কি?





পত্রিকা সম্পাদনা এবং মৌলিক সাহিত্যসৃষ্টি, এই দুটোর কোনোটাই আমি অস্বীকার করতে পারিনা, দুটো কাজই সমান আনন্দে করি। এখনও পর্যন্ত আমার পাঁচটি কবিতা সংকলন প্রকাশিত হয়েছে – ১) ‘এই পীচরাস্তা শব্দের হারমোনিয়াম’ ২) ‘বাজে শুধু শার্টের বোতাম’ ৩) ‘দলছুট এক স্বপ্নঠগ’ ৪) ‘বাহবা কোরাস’ ৫) ‘ঝুরোকবিতা’। এছাড়া একটি গল্প সংকলন –‘বর্ণ বিবর্ণ’। আর আমার সম্পাদিত প্রকাশিত গ্রন্থ – ‘ঝুরোগল্প ১’। প্রকাশিতব্য গ্রন্থ – ‘ঝুরোগল্প ২’ এবং ‘স্বদেশ সেন : সৃষ্টি ও নির্মাণ’। 



Facebook Comments
0 Gmail Comments

-

 
Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ,GS WorK । শব্দের মিছিল আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

English Site best viewed in Google Chrome
Blogger দ্বারা পরিচালিত.
-